Tuesday, 30 June 2020

Bengali Essay on "Pandit Jawaharlal Nehru", "Pandit Jawaharlal Nehru Bengali Rachana", "পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Pandit Jawaharlal Nehru in Bengali Language: In this article, we are providing পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Pandit Jawaharlal Nehru Bengali Rachana.

Bengali Essay on "Pandit Jawaharlal Nehru", "Pandit Jawaharlal Nehru Bengali Rachana", "পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Pandit Jawaharlal Nehru", "Pandit Jawaharlal Nehru Bengali Rachana", "পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা"
ভারতের প্রথম প্রধান মন্ত্রী ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু। ভারতের স্বাধীনতার যুদ্ধে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সাথে মিলিত হয়ে প্রচুর কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। সর্বদাই একটা লাল গােলাপ নিয়ে ঘুরে বেড়ানাে এই ব্যক্তিটি জনসাধারণের শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন মহান নেতা এবং আধুনিক ভারতের প্রকৃত শ্ৰষ্ঠা। এই কারণে তাঁকে আমাদের দেশের রচয়িতা বলা হয়ে থাকে। তিনি একটি দৃঢ় এবং মজবুত ভারত গড়ে তােলার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাঁর চরিত্রে যেমন দৃঢ়তা ছিল তেমনই তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যাপারে যথেষ্ট নিশ্চিত ছিলেন। মানুষের প্রতি ভালােবাসা এবং বাচ্চাদের প্রতি তার টান তাকে আরও বেশী জনপ্রিয় করে তুলেছিল। তিনি একজন মহান লেখক এবং দার্শনিক ছিলেন। তার লেখা বিখ্যাত বইটি হল 'The Discovery of India.
জওহরলাল নেহেরু ১৮৮৯ সালের ১৪ই নভেম্বর এলাহাবাদে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পিতা মতিলাল নেহেরু ছিলেন বিখ্যাত উকিল। তিনি বাড়িতেই একজন ইংরাজী শিক্ষকের কাছ থেকে তার প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করেছিলেন। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য তাঁকে ইংল্যাণ্ড পাঠানাে হয়েছিল। তিনিও আইনের ছাত্র ছিলেন। আইনের পড়া শেষ করে তিনি ভারতে ফিরে এসেছিলেন। তার মনে দেশের জন্য এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য একটা জ্বলন্ত উদ্দীপনা ছিল।
তিনি মহাত্মা গান্ধীর দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। ভারতকে মুক্ত করাই ছিল তার একমাত্র বাসনা, মহাত্মা গান্ধীর পথ অনুসরণ করে শ্রী নেহেরু স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। তিনিও সত্য ও অহিংসার পথের পথিক ছিলেন। তিনিও বহুবার কারারুদ্ধ হয়েছিলেন। ১৯২৯ সালে তাঁকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। সেখানে তিনি স্বাধীনতার জন্য শপথ গ্রহণ করেছিলেন। সংবিধানের সভায় তিনি বলেছিলেন — "Whether we are men and women of history or not, India is a country of destiny."
১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর তাকে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। তার নেতৃত্ব এবং একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল দেশের প্রগতি, সম্পদশীলতা এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা অর্পণ। তিনি গণতন্ত্রের ভিত স্থাপন করেছিলেন। তিনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী ছিলেন। ১৯৬১ সাথে ভারত এবং চীনের মধ্যে পঞ্চশেল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। নিরস্ত্রীকরণই ছিল তাঁর জীবনের মহৎ উদ্দেশ্য। তার নেতৃত্বাধীনে ভারতবর্ষ বিশ্বের দরবারে প্রচুর সম্মান অর্জন করতে পেরেছিল। তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে এবং ভাতৃত্ববােধ গড়ে তােলার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। তিনি বুদ্ধ, খ্রীষ্ঠ এবং নানকের দেখানাে পদাঙ্কই অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন।
জাতি এবং মানুষের জন্য প্রচুর সেবা অর্পণ করার পর ১৯৬৪ সালের মে মাসে তিনি মারা যান। উন্নতি এবং পরিকল্পনার দিক থেকে তিনি মহান ঐতিহ্য স্থাপনা করে গেছিলেন। তিনি প্রগতি এবং সামাজিক নৈতকিতার চক্র শুরু করেছিলেন। শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং চিকিৎসা সমস্ত ক্ষেত্রেই তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বৃহৎ শিল্প এবং শক্তিশালী প্রকল্প গড়ার সাথে সাথে কৃষিক্ষেত্রেও যথেষ্ট উন্নতি সাধন করছিলেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর দানকে অস্বীকার করা যায় না। বিশ্বের ইতিহাসে এবং দেশে যে কয়েকজন মানুষ প্রভাব সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন তাদের মধ্যে শ্রী নেহেরু ছিলেন অন্যতম। তার জন্মদিনটিকে শিশু দিবস হিসাবে পালন করা হয়ে থাকে। এর দ্বারা তার মহান চরিত্র এবং পরিকল্পনার কথা আমাদের মনে পড়ে যায়। চার্চিলের মত উল্লেখ করে বলা যায় - "He had conguered all thigs including fear"
জওহরলাল নেহেরু গভীর দর্শনের অধিকারী ছিলেন। তিনি যেমন সুবক্তা ছিলেন তেমনিই একজন মহান লেখক ছিলেন। তিনি দেশের ঐক্যবদ্ধতায় এবং মানুষের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন।

SHARE THIS

Author:

I am writing to express my concern over the Hindi Language. I have iven my views and thoughts about Hindi Language. Hindivyakran.com contains a large number of hindi litracy articles.

0 comments: