Bengali Essay on "Indian Temple", "একটা মিউজিয়ামে ঘুরতে যাওয়া রচনা প্রবন্ধ" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Admin
0
Essay on Indian Temple in Bengali Language: In this article, we are providing একটা ভারতীয় মন্দির রচনা প্রবন্ধ for students. Essay on Bhartiya Mandir in Bengali.

Bengali Essay on "Indian Temple", "একটা ভারতীয় মন্দির রচনা প্রবন্ধ" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

বিদেশীরা ভারতবর্ষকে মন্দিরের দেশ, তীর্থস্থান, পীঠস্থান বা পবিত্রস্থান বলে আখ্যায়িত করে থাকে। ভারতের ধর্ম, সংস্কৃতি এবং সমাজের উপর ভিত্তি করে বহু ঐতিহাসিক ঘটনা গড়ে উঠেছে। কাশ্মীর থেকে কেরালা পর্যন্ত চলতে থাকলে আমরা বহু মন্দিরের দর্শন পাব।
ভারতের কয়েকটি বৃহৎ মন্দিরের মধ্যে অন্যতম বলে লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দির (বিড়লা মন্দির), এটি দিল্লীতে অবস্থিত। শ্ৰী জি ডি বিড়লা গােষ্ঠী এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিল।
মন্দিরটির ভিতরে ঢুকলে এর বিস্ময়কর গঠন আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এটি বিশাল স্থান জুড়ে অবস্থিত, সামনের প্রাচীরটিকে গেট সহ একটি শৈল্পিক রূপ দান করা হয়েছে। মন্দিরের পিছনের দিকে মাটির টিভি করা আছে। বিভিন্ন রকম গাছের সমাবেশ এটিকে একটি প্রাকৃতিক এবং আকর্ষণীয় রূপ দান করেছে।
সম্পূর্ণ মন্দিরটি পাথরের তৈরি। মন্দিরের ঠিক মধ্যেখানে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মূর্তিস্থাপন করা আছে। ভেতরের মন্দিরের দেওয়ালগুলিতে রামায়ণ এবং মহাভারত বর্ণনা করা আছে। মন্দিরের মধ্যে সবুজ বাগান বিস্তৃত এবং একটা ছােট পার্ক আছে, সেখানে বাচ্চারা খেলা করার সুযােগ পায়। পাথরের উপর খােদাই করে গরু, উট, হরিণ এবং অন্যান্য পশুর মূৰ্ত্তি গড়ে এইখানে রাখা হয়েছে। ওখানে একটা বাঘের মুখ জল নির্গত হয় যা প্রতিটি দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করে।
মন্দিরের এক পার্শ্বে দিন রাত কীর্তন গাওয়া হয়, এটি কখনই বন্ধ হয়। । যে সমস্ত দর্শনার্থীরা মন্দিরে যান তারা খুবই মনোেযােগ দিয়ে এই কীর্তন শশানেন। কয়েকজন সাধু সন্তগণ সমগ্র ও ভগবৎ গীতাকে আবৃত্তি করে উপস্থিত করেন।
জন্মাষ্টমী এবং রাম নবমীর দিন লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরটিকে অপূর্ব সাজানাে হয়, কারণ একটি দিন ভগবান কৃষ্ণ ও একদিন ভগবান রামের জন্মদিন পালন করা হয়। এই দিন দুটিতে সহস্রাধিক দর্শনার্থীর ভীড় হয়। এই দিন দুটিতে মন্দিরে প্রচণ্ড ভীড় থাকে। মন্দিরের চূড়াটি সুন্দর ইলেকট্রিক বাল্বের দ্বারা সাজানাে হয় এবং এর ফলে একটা অপূর্ব রূপ সৃষ্টি হয়। সেদিন খুবই জাঁকজমকভাবে পূজা করা হয়। অনুষ্ঠানের দিনগুলিতে এই মন্দিরের সক্রিয়তা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। দীপাবলীর দিনও সম্পূর্ণ মন্দিরটিকে আলাে দিয়ে সাজানাে হয়। দীপাবলীর দিন মন্দিরে আসলে এর রূপ দ্বিগুণ লাগে কারণ সেদিন আলাে ফুল এবং অন্যান্য শৌখিন দ্রব্য দিয়ে মন্দিরটিকে অপুর্ব সাজে সাজানাে হয়। আমি ওখানে গিয়ে আত্মিক এবং মানসিক পরিতৃপ্তি লাভ করেছিলাম।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !