Friday, 10 July 2020

Bengali Essay on "Impact of Foreign Culture", "বিদেশী সংস্কৃতি প্রভাব বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Impact of Foreign Culture", "বিদেশী সংস্কৃতি প্রভাব বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Impact of Foreign Culture in Bengali Language: In this article, we are providing বিদেশী সংস্কৃতি প্রভাব বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay/Paragraph on Impact of Foreign Culture.

Bengali Essay on "Impact of Foreign Culture", "বিদেশী সংস্কৃতি প্রভাব বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

জামা কাপড়, বৈদেশিক আচরণ, বিদেশী খাদ্য, বৈদেশিক শিক্ষা এবং সমস্ত বিষয়েই ভারতীয়দের মধ্যে প্রবল আকর্ষণ লক্ষ্য করা যায়। বৈদেশিক নাচ গানের চাপে আমাদের মধুর ভারতীয় সঙ্গীতও চাপা পড়ে যাচ্ছে। মেয়েদের স্কুলরুচি সম্পন্ন আদপ কায়দা এবং নিরস কথাবার্তার জন্য মহিলাদের মধ্যে থেকে সমভ্রম বােধটাই লুপ্ত হতে বসেছে। বিদেশী ভাষায় কথাবলাটা এখন ফ্যাশান হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকের যুব শ্রেণী নিজেদের দেশে ভালাে জীবিকা গ্রহণের পরিবর্তে আমেরিকার চাকর হওয়াকে অনেক বেশী সম্মান জনক বলে মনে করে।

অতিথিদের মনােরঞ্জন করার জন্য সেখানে কিছু সস্তা দরের রেস্তোরাঁ আছে, আধুনিক যুবক-যুবতীরাই সেগুলি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উত্তেজিত বাজনার সাথে মাইক হাতে নিয়ে চিৎকার করে। সঙ্গীতের সুর যত বেতাল হবে অতিথিরা তা ততবেশী করে উপভােগ করে। তারা আনন্দে মাটিতে লাফাতে থাকে, তাদের হৃদ স্পন্দন বৃদ্ধি পায় এবং এই সুরের সাথে সাথে তাদের দেহেও উত্তেজিত ভাবে নেচে ওঠে।

জনসাধারণের স্বেচ্ছায় নিজেদেরকে বৈদেশিক দ্রব্যের মধ্যে নিমজ্জিত করে ফেলছে। এই সমস্ত দ্রবের মধ্যে ক্রিস্টালের ঝাল লন্টন এবং আকর্ষণীয় আসবাব পত্র বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে, এই গুলির সাহায্যে বাড়ি এবং সরাইখানাগুলি আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, বেশীর ভাগ সম্মােহক গায়িকা একটি আটো সাটো পােশাক, খুব সুন্দর একটি গাউন, ফতুয়া জাতীয় জামা এবং ঢিলেঢালা প্যান্ট পরিধান করে, এই পােশাকের সাহায্যে তারা পার্সিয়ান রাণী বা আমেরিকান নাগরিকদের মতন হয়ে ওঠে।

অনেকে আবার চাইনিজদের ঢঙে কোন সরাইখানাতে চৈনিক নূতন বৎসর উদ্যাপন করে থাকে। এদের খাদ্য তালিকায় চিনা, জাপানি, আমেরিকা এবং আরবের সুস্বাদু খাবারগুলি অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই সমস্ত মানুষেরা হােটেলগুলিকে ম্যাক্সিকান, ফ্রেঞ্চ এবং সুইজ-এর ঢঙে সাজিয়ে তুলতে চায়। সাজসজ্জা, গান এমনকি প্রধান পাচক পর্যন্ত বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

আমাদের দেশে বৈদেশিক দ্রব্যের এই চাহিদাকে কম করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয়। কারণ, যদি আমরা বৈদেশিক সংস্কৃত বা বৈদেশিক অভ্যাসকে রপ্ত করতে চাই তবে আমরা অচিরেই নিজেদের সংস্কৃতিকে হারিয়ে ফেলব। এর উন্নতি আমাদের সভ্যতারজন্য ক্ষতিকারক বলে প্রমাণিত হতে পারে এবং এর সাহায্যে আমাদের সমাজ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে।
Bengali Essay on "Newspaper", "সংবাদপত্র বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Newspaper", "সংবাদপত্র বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Newspaper in Bengali Language: In this article, we are providing সংবাদপত্র বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on Newspaper খবরের কাগজ পড়ার সুবিধা.

Bengali Essay on "Newspaper", "সংবাদপত্র বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

সংবাদপত্র নিজস্ব গুরুত্ব এবং সুবিধা আছে। আধুনিক কালে খবরের কাগজকে তথ্য, খবর এবং দৃশ্যের বিতরক বলা যেতে পারে। খবরের কাগজ থেকে আমরা প্রচুর সুবিধা পাই। পৃথিবীর প্রত্যেক কোণার খবর আমরা জানতে পারি এর সাহায্যে, এক বিখ্যাত মত অনুসারে বলা যায় বর্তমান বিশ্ব প্রেস এবং ভােরের খবরের কাগজের বিশ্ব।
আধুনিক বিশ্ব মানবের মতামত ও জানা যায় খবরের কাগজের মাধ্যমে। খবরের কাগজকে জনমতের প্রকৃত ব্যারােমিটার বলে চিহ্নিত করা যায়। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে উপযােগী তথ্য থাকে। জনগণ এরই সাহায্যে নেতৃত্ব প্রদানকারী দলকে বুঝতে পারে এবং বিশ্ব ও দেশের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে পারে। খবরের কাগজের মাধ্যমে আমরা দেশ-বিদেশের খবর জানতে পারি। প্রতিটি খবরের কাগজের মাধ্যমে আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, সাহিত্যিক এবং ধর্মীয় খবর জানতে পারি।
এর সাহায্যে বিশ্বের সমস্ত দেশগুলি নিজেদের মধ্যে বােঝা পড়া করতে পারে এবং নিজেদের সুখ্যাতি বজায় রাখতে সক্ষম হয়। খবরের কাগজকে মতপ্রচারের এবং জনপ্রিয়তার প্রধান মাধ্যম হিসাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। খবরের কাগজের পরিচ্ছেদ গুলির সাহায্যে আমরা বিভিন্ন ধরনের প্রচুর তথ্য পাই।
কিছু কিছু খবরের কাগজ - খুন, শ্লীলতাহানী, অপরাধ, বদনাম, বিবাহ বিচ্ছেদ, হরণ এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে খবর প্রকাশ করে। এই ধরনের খবরগুলি পাঠকদের উপর একটা খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করে, এই ধরণের ত্রুটি বিচ্যুতিগুলিকে এড়িয়ে যাওয়াই ভালাে। | বর্তমান দিনে প্রতিটি খবরের কাগজ নৈতিক খবর গুলির দিকে নজর দেয়, খবরের কাগজের প্রধান সমস্যা হল গুরুত্ব পূর্ণ খবর গুলিকে খুঁজে বের করা। কিছু কিছু খবরের কাগজ তাদের নিজস্ব চিন্তাধারাও প্রকাশ করে। এগুলি একটি খবরের কাগজের প্রধান উদ্দেশ্যকে ক্ষতি গ্রস্থ করে।
দেশের বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে জনগণের মতামত জানার প্রধান মাধ্যমই হল খবরের কাগজ। শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিরাও খবরের কাগজের সাহায্যে উপকার পেয়ে থাকে। এর সাহায্যে আমরা নিজেদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হই। দেশের বিভিন্ন রকম কঠিন পরিস্থিতি সম্পর্কে তারা সৎ এবং সঠিক মতবাদ প্রকাশ করে। এবং এর ফলে মানুষ সঠিক পথে চালিত হয়।
শিক্ষার দিক থেকেও খবরের কাগজ যথেষ্ট মূল্যবান। বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্পর্কে গবেষণা চালিয়ে খবরের কাগজের সংস্থাগুলি সঠিক খবর খুঁজে বের করে এবং তাই প্রকাশ হবে। বিশ্বের শুভ চিন্তাকগণ, লেখক, কবি, বৈজ্ঞানিক, পুনগঠনকারী দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদগণ এই খবরের কাগজের মাধ্যমেই খ্যাতি লাভ করেন। খবরের কাগজকে আধুনিক জগতের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলা যেতে পারে। এটি শিল্প এবং বাণিজ্যকে উদ্বুদ্ধ করে। এর সাহায্যে জাতীয় গৌরব প্রতিফলিত হয়। এর মাধ্যমে মনের সঠিক প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। সর্বোপরি বলা যায় তথ্য, প্রযুক্তি এবং বাণিজ্য ভিত্তিক এই আধুনিক বিশ্বের একটি অন্যতম বিস্ময়কর সুবিধা হল খবরের কাগজ।
Bengali Essay on "Storm", "একটা ধূলাের ঝড় বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Storm", "একটা ধূলাের ঝড় বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Storm in Bengali Language: In this article, we are providing একটা ধূলাের ঝড় বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay/Paragraph on Storm.

Bengali Essay on "Storm", "একটা ধূলাের ঝড় বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

ভারতের একটি অতি পরিচিত ঘটনা হল ধুলাের ঝড়। মে এবং জুন মাসে এটিকে প্রায়ই দেখা যায়। ধুলাে ঝড়ের নিজস্ব উৎকর্ষতা এবং অপকর্ষতা আছে। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য এটা একদিকে যেমন লাভদায়ক, তেমনি এর ধ্বংসাত্মক চেহারাও আমাদের সত্যিই আহত করে।
গত বছরে আমি রাজস্থানে ছিলাম। রাজস্থান একটি মরুভূমি। মাইলের পর মাইল শুধু বালি আর বালি, একদিন এক সুন্দর সন্ধ্যায় আমি আমার বন্ধুদের সাথে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলাম। আমরা প্রায় বিকেল পাঁচটা নাগাদ বেরিয়েছিলাম, সেই সময়ই আকাশে মেঘের ঘনঘটা দেখা গেছিল। পরে সেটা লাল হয়ে যায়। আমরা দেখলাম আকাশের গায়ে কিছু ভেসে বেড়াচ্ছে। সেটা ছিল ধূলাে কণার দ্বারা সৃষ্ট মেঘ। তারপরেই আমরা হাওয়া অনুভব করতে পারলাম। প্রত্যেক মুহূর্তে হাওয়ার বেগ তীব্র থেকে তীব্রতর হতে শুরু করেছিল। আমরা একটা গাছের নীচে আশ্রয় নিয়েছিলাম। সেখানেও ধূলাে পূর্ণ শক্তিশালী হাওয়া ধেয়ে এল। আমরা চোখে কিছুই দেখতে পারছিলাম না। তারপর আবার একটা প্রবল বাতাসের আগমন, এই হাওয়ার ফলে আমাদের কানে একটা ভয়ঙ্কর আওয়াজ আসল কারণ একটা গাছের ডাল ভেঙ্গে গেছিল। আমরা যে গাছটির নীচে দাঁড়িয়ে ছিলাম তার কাণ্ডটিকে আষ্টেপিষ্টে ধরে ছিলাম। সম্পূর্ণ এলাকাটি পুড়ে অন্ধকারের সৃষ্টি হয়েছিল। কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। মানুষের আর্তনাদ এবং কান্নাও কানে আসছিল। কুঁড়ে বাড়ী এবং পাকাবাড়ীর ছাদ উড়ে গেছিল। যে গাছের নীচে আমরা দাঁড়িয়েছিলাম তারও একটি ডাল ভেঙ্গে পড়ল। কিন্তু ভগবানের কৃপায় সেটি আমাদের মাথার উপর পড়েনি। হাওয়া তীব্র গতিতে ছুটে আসছিল।
একটু বাদেই মেঘের গর্জন শােনা গেল এবং তারপরেই বৃষ্টি শুরু হল। সেটা ছিল প্রবল বর্ষণ। কিছুক্ষণ বাদে আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেল এবং পরিবেশও ধূলাের হাত থেকে রেহাই পেল। এর পর আমরা ধুলাের ঝড়ের প্রভাব দেখতে পেয়েছিলাম। অনেক গাছ উৎপাটিত হয়ে গেছিল। টিনের ছাদ দেওয়া অনেক বাড়ীর টিন উড়ে গেছিল। অনেক শস্য ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। অনেক মানুষ যথেষ্ট আহত হয়েছিল। অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছিল। দেওয়ালের তলায় চাপা পড়ে অনেক গবাদি পশু নিজেদের প্রাণ হারিয়েছিল।
ঝড়ের এই ধ্বংসাত্মক রূপ আমি নিজে চোখে প্রত্যক্ষ করেছিলাম। প্রকৃতির দৃশ্য এক মুহূর্ত পরিবর্তিত হয়ে যায়। শক্তিশালী হাওয়ার প্রভাবে বালিকণা এক স্থান থেকে অন্যত্র প্রবাহিত হয়। সম্পত্তি এবং গবাদি পশু যে ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা সত্যিই বর্ণনা করা যায় না।
তারপর আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে পা বাড়ালাম। আমাদের দিকেও এই একই দুঃখজনক দৃশ্য চোখে পড়েছিল। অনেক রাস্তা গাছ পড়ার ফলে আটকে গেছিল। ঝড়ের পর চতুর্দিক জুড়ে শুধু ধ্বংসের রূপই দেখা যায়। এটিকে আমি আমার জীবনের একটা স্মরণীয় অভিজ্ঞতা বলেই মনে করি।

Thursday, 9 July 2020

Bengali Essay on "Picnic", "একটি পিকনিক বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Picnic", "একটি পিকনিক বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Picnic in Bengali Language: In this article, we are providing একটি পিকনিক বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay/Paragraph on Picnic.

Bengali Essay on "Picnic", "একটি পিকনিক বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

সেটি ছিল জুলাই মাস এবং আমার কিছু বন্ধুরা মিলে একটা পিকনিক করার কথা চিন্তা করেছিল। আমরা কুতুব মিনারে পিকনিক করতে যাব বলে ঠিক করেছিলাম। এই স্থানীটিকে বেছে নেওয়া হয়েছিল দুটি কারণে, প্রথমত এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান এবং দ্বিতীয়ত এটি দিল্লীর প্রান্ত ভাগে অবস্থিত।
আমরা সেখানে প্রাতরাশ, দুপুরের খাবার সবই খাব এবং বিকেলে চাও পান করব বলে ঠিক করেছিলাম। সুতরাং আমরা নিজেদের প্রয়ােজনীয় জিনিসপত্র এবং খাদ্য দ্রব্য গুছিয়ে নিয়ে কুতুব মিনারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। সেই দিনটা ছিল খুব মনােরম। আমরা বেলা নয়টার সময় কুতুব মিনারে পৌছে গেছিলাম। প্রথমেই চা তৈরি করে নিয়ে কিছু স্ন্যাক্সের সাথে তা পান করেছিলাম। হারমােনিয়াম, সেতার এর মতন কিছু বাদ্যযন্ত্রও আমাদের সাথে ছিল। প্রাতরাশ সম্পন্ন করে আমাদেরই এক বন্ধু সুধীর হারমােনিয়াম নিয়ে বসে পড়ে এবং সে চমৎকার দুটি গান শােনায়, তার গানের সুর আমাদের হৃদয় স্পর্শ করেছিল এবং আমরা সত্যিই সেটিকে উপভােগ করতে পেরেছিলাম। কুতুব মিনারের আশেপাশে বিস্তীর্ণ সবুজ ঘাসের আস্তরণ এবং বড় বড় গাছের ছায়া সত্যিই স্থানটিকে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দৰ্য্য প্রদান করেছে।
তারপর আমাদের আর এক বন্ধু রাকেশ কুতুব মিনারের চারদিক ঘােরার জন্য প্রস্তাব জানিয়েছিল এবং আমরা দুজন বন্ধুর উপর দুপুরের খাবার তৈরির দায়িত্ব দিয়ে বাকিরা ঘুরতে যাওয়ার জন্য মনস্থির করেছিলাম। যখন আমরা ফুল ও গাছের সম্ভারে ভরা বাগানের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম তখন আমরা একটা বিদেশী দম্পতিকে দেখেছিলাম, তারা আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান গুলিকে তাদের ক্যামেরায় বন্দী করতে ব্যস্ত ছিল। তারা আমাদেরকে কিছু প্রশ্ন করেছিল এবং আমরা তার উত্তর দিয়েছিলাম, এই কথােপকথন আমাদের যথেষ্ট আনন্দ দান করেছিল।
আমরা আমাদের পিকনিকের স্থানে ফিরে এসে দেখলাম সমস্ত কিছু প্রস্তুত হয়ে গেছে। আমরা খুবই মজা করে খাবার খাচ্ছিলাম, ঠিক সেই সময়তেই একজন জাদুকর একটা বানর এবং বাবুন নিয়ে উপস্থিত হয়েছিল। সে এমন কিছু দক্ষতা প্রদর্শন করছিল যে আমরা হতভম্ব হয়ে পড়েছিলাম। সে আমাদেরকে হাসির খােরাক দান করছিল। বানর এবং বাবুনটি সত্যিই অসাধারণ খেলা দেখিয়েছিল। বানরটি বুমবাে’র সুরে নাচ দেখাচ্ছিল এবং তা প্রতিটি দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল। খেলা দেখানাে শেষ হওয়ার পর দর্শকগণ তাদের ক্ষমতা অনুসারে জাদুকরটিকে পয়সা প্রদান করেছিল।
এরপর আমরা নিজেদের মধ্যে গান, কবিতা এবং আরও কিছু হাস্যকর বিষয় নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। সুধীর গান এবং আবৃত্তি দুইই শুনিয়েছিল। তার গানে সত্যিই অবিস্মরণীয়। তার আবৃত্তিগুলি ছিল সত্যিই শ্রুতিমধুর এবং মর্মস্পর্শী, এর আকর্ষণে আশেপাশের বহু লােক আমাদের দিকে এগিয়ে এসেছিল। এই অনুষ্ঠান চলার সময় আমাদের কয়েকজন বন্ধু খুবই ক্লান্তি অনুভব করেছিল, এবং এক সময়ে তারা ঘুমিয়েও পড়েছিল।
এরপর আমি এবং সুধীর বিকেলের খাবারের আয়ােজন করতে শুরু করেছিলাম। আমরা কিছু চপ এবং ভাজাভাজি বানিয়েছিলাম। তারপর কফি দেওয়ার জন্য ঘুমন্ত বন্ধুদের ডাকলাম। তারা ওঠার পর আমরা সকলে মিলে আনন্দ করে কফি এবং স্ন্যাক্স খেলাম, এই সময় নিজেদের মধ্যে হাস্যদ্দীপক মজাদার এবং আকর্ষণীয় কিছু কথাবার্তা চুটকি প্রভৃতি চলছিল। এই করতে করতেই প্রায় পাঁচটা বেজে গেল। অন্যান্য পিকনিকের দলগুলিও তাদের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। আমরাও আমাদের বাসনপত্র এবং অন্যান্য জিনিসপত্র গুলি গুছিয়ে নিয়ে সাইকেলের উপর রাখলাম। তারপর আমরা বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম, হাসি এবং কথার মধ্যে দিয়ে রাস্তাটা কিভাবে শেষ হয়ে গেছিল বুঝতেই পারিনি।
Bengali Essay on "Modern girl", "আধুনিক মেয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Modern girl", "আধুনিক মেয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Modern girl in Bengali Language: In this article, we are providing আধুনিক মেয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on Modern girl.

Bengali Essay on "Modern girl", "আধুনিক মেয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

আধুনিক মেয়েরা ঘরােয়া, লাজুক, নম্র এবং বাধ্য প্রকৃতির নয়। তাদের বাড়িতে বন্দী করে রাখা অসম্ভব। তারা নিজেদের দাবী মেটাবার জন্য লড়াই করতে জানে। তারা দলে নিজেদের জেদ বজায় রাখার চেষ্টা করে এবং একটা অদ্ভুত ভঙ্গী নিয়ে ঘােরাফেরা করে। এমনকি তারা রং নিচে নিজেদের প্রকৃত রূপকেও ঢেকে দেয়।
আধুনিক মেয়েরা ছেলেদের সাজসজ্জা, জীবিকা, আচার আচরণ এবং লক্ষ্য সমস্ত কিছুকেই নকল করে। একটা রঙিন শাড়ী যা যেকোন মেয়ের ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে পারে তারা সেটা ছেড়ে প্যান্ট এবং জিনস্ ধারণ করে। কোচকানাে লম্বা চুল বা ঘন একরাশ চুল আর মেয়েদের মাথায় দেখা যায় না তারা 'boy cut' করে ছেলেদের ছাঁচে নিজেদেরকে ঢালতে চায়। তারা ক্রিকেট খেলে, পাহাড়ে ওঠে এমনকি ছেলেদের সাথে পাল্লা দিয়ে যেকোন জীবিকা অবলম্বন করতেও পিছপা হয় না।
একজন আধুনিক মেয়ে যেকোন অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণে পরিণত হয়। তার জীবন্ত কথােপকথন, তার প্রজাপতির মতন অভিগমন এবং অভিনেত্রীর মতন আচারআচরণ যেকোন অনুষ্ঠানকে অনেকবেশী রঙিন করে তােলে। ছেলেরা টাকা পয়সা, ব্যবসা বা অন্যান্য অনেক ব্যাপারেই ঠিকমতন কথা বলতে পারে না কিন্তু আধুনিক মেয়েরা অবলীলায় সেগুলি সম্পন্ন করতে পারে। নিরদ সি চৌধুরী বলেছিলেন যে, ভারতীয় মহিলারা অনেক বেশী আকর্ষণীয় কথাবার্তা বলতে সক্ষম।
একজন আধুনিক মেয়ে কখনই বাড়িতে বসে থাকতে চায় না। ফ্যাশান প্যারেড’, ঐকতান বাদন, সিনেমা এবং অন্যান্য অনেক বহির্জাগতিক আচরণের থেকে তারা নিজেদেরকে বঞ্চিত করে না। যে কোন পুরুষের সাথে কথা বলতেই তারা কোন রকম সংকোচ বােধ করে না এবং তা করতে কোন লজ্জাবােধও দেখা যায় না। যদি কোন সময় লজ্জাবােধ দেখা যায় তবে জানতে হবে যে তার পিছনে বহু ভাবনা চিন্তা আছে।
এমনকি আধুনিক মেয়েরা কন্যা, বধূ এবং মা হিসাবে তাদের কর্তব্যটুকু পর্যন্ত পালন করে না। তাদের একমাত্র বাসনা হল আনন্দের মধ্যে দিয়ে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করা। তারা চায়, তাদের স্বামীরা নিজেরাই নিজেদের দেখাশােনা করবে এবং বাচ্চারা মানুষ হবে সেবিকাদের কাছে। তাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হল অত্যাধুনিক ফ্যাশান এবং প্রসাধন।
Bengali Essay on "An Ideal Student", "Adarsh Chatra", "একজন আদর্শ ছাত্র অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "An Ideal Student", "Adarsh Chatra", "একজন আদর্শ ছাত্র অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on An Ideal Student in Bengali Language: In this article, we are providing একজন আদর্শ ছাত্র অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on Adarsh Chatra.

Bengali Essay on "An Ideal Student", "Adarsh Chatra", "একজন আদর্শ ছাত্র অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

যে ছাত্র তার নিজের কর্তব্য এবং দায়িত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন তাকেই প্রকৃত ছাত্রের মর্যাদা দেওয়া যেতে পারে। সে তার পরিবর্তি প্রজন্মের জন্য পথ প্রদর্শকের ভূমিকা পালন করে। প্রতিটি ছাত্ৰই প্রকৃত ছাত্র হওয়ার জন্য প্রবল চেষ্টা করে। আজকের ছাত্রই ভবিষ্যৎ পৃথিবীর নেতা। ছাত্রদের যদি সৈন্যদের নিয়মানুবর্তিতার প্রশিক্ষণ দিয়ে বড় করে তােলা যায় তবে যেকোন দেশ সম্পদ, অর্থ এবং গৌরবের অধিকারী হতে পারে।

একজন ছাত্রের মাথায় থাকে পড়ার চাপ এবং সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেও সক্ষম হয় কিন্তু সে প্রকৃত ছাত্র হওয়ার শিক্ষা পায় না। একজন ছাত্র তার স্কুল ও কলেজ জীবনে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে সক্ষম হলেও বাস্তব জীবনে তাকে চরম ব্যর্থতার সম্মুখীন করতে হতে পারে।

একজন প্রকৃত ছাত্র হবে সরল এবং বুদ্ধিমান। গান্ধিজীর মন্তব্য অনুসারে তার মধ্যে "simple living and high thinking"এর গুণবত্তা থাকতে হবে। একজন ছাত্র জীবনে কষ্ট এবং পরীক্ষার মােকাবিলা করতে করতে সে নির্ভীক এবং সপ্রতিভ হয়ে উঠতে পারে।

একজন প্রকৃত ছাত্র কঠোর নিয়মানুবর্তিতা এবং আইনের মধ্যে নিজের জীবন অতিবাহিত করে। এই ছাত্র জীবনেই মানুষের জীবনের ভিত্তি প্রস্তর গড়ে ওঠে। নিয়মানুবর্তিতা ছাড়া যে কোন ছাত্রের জীবন গন্তব্যহীন নৌকার মতন হয়ে যেতে পারে, সেটি ভাসে ঠিকই কিন্তু গন্তব্য পর্যন্ত সুরক্ষিতভাবে পেঁৗছাতে পারে না। সে স্কুল এবং কলেজের নিয়ম মানতে বাধ্য থাকবে এবং শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করবে।

সে নিজের সঙ্গী নির্বাচনের সময়তেও যথেষ্ট বিচার বিবেচনা করে নেয়। সে কখনই নৈতিকতার পথ থেকে সরে যায় না এবং কোন খারাপ শক্তিও তাকে প্রভাবিত করতে পারে না। সে খুব ভালােই জানে যে একটা পচা আপেল এক ঝুড়ি আপেল নষ্ট করে দিতে পারে।

আমরা প্রত্যেকেই আমাদের পরিবারের লােকেদের কাছে ঋণী কিন্তু একজন প্রকৃত ছাত্র বাবা-মা, ভাই এবং বােনের কাছে কতটা ঋণী তা জানার চেষ্টা করে। বাবা-মার কষ্ট অনুভব করা তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। বর্তমান যুগের হাওয়া হল ছাত্ররা তাদের পড়াশােনা শেষ হয়ে গেলেই বাবা-মাকে ভুলে যায়। যত শীঘ্র সম্ভব সে বিয়ে করে আলাদা হয়ে যায় এবং তাকে একটা স্বাস্থ্যকর শৈশব দেওয়ার জন্য বাবা মা কত কষ্ট করেছে সে সবই ভুলে যায়। একজন প্রকৃত ছাত্র বড় হয়ে তার বাবা-মাকে যথেষ্ট দেখাশােনা করে।

একজন প্রকৃত ছাত্র সম্পূর্ণ মানবতার সেবক। সে তার পরিবারের লােকেদের ভয় এবং অন্যান্য অসুবিধাগুলিকে ভাগ করে নিতে চায়। যদি সম্ভব হয় তবে সে সামাজিক কাজেও যথেষ্ট আগ্রহ প্রদর্শন করে। সে সমাজের অনেক জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করে।

স্বামী বিবেকানন্দের মতানুসারে "What our country now wants, are men and women with muscles of iron, nerres of steel, gigantic wiltor, which nothing can resist and which can penetrate the inner-most secrets and mysteries of the universe and will accomplish their purpose in any fashien, though it means going down to the bottom of the occan and meeting death fan to fall."

উপরিক্তো বিষয়গুলির থেকেই একজন প্রকৃত ছাত্রের পরিচয় পাওয়া যায়। সে তার জাতির মানুষদের সমৃদ্ধির স্তরকে উন্নততর করার জন্যও যথা সাধ্য চেষ্টা করে।

Wednesday, 8 July 2020

Bengali Essay on "A Summer Day", "একটি গ্রীষ্মের দিন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "A Summer Day", "একটি গ্রীষ্মের দিন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on A Summer Day in Bengali Language: In this article, we are providing একটি গ্রীষ্মের দিন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on A Summer Day.

Bengali Essay on "A Summer Day", "একটি গ্রীষ্মের দিন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

একটা গরম গ্রীষ্মের দিন আমাদের কাছে উপহার নয় শাস্তি স্বরূপ হয়ে ওঠে। এটা এতটাই অসহ্য হয় যে আমরা ক্লান্তি এবং কষ্ট বােধ করি।
ভােরবেলায় যে হাওয়া বয় তাতে মনােরম পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গােধূলির রূপও যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। পরিষ্কার নির্মল আকাশ, ঠাণ্ডা পরিবেশ এবং মৃদু মন্দ হাওয়া আমাদেরকে উজ্জীবিত করে তােলে। পাখিদের মিষ্টি সুর আমাদের পুলকিত করে তােলে।
কিছুক্ষণ বাদে পূর্ব দিক লাল করে একটা সােনার থালা উদিত হয়। তখন সামান্য গরম অনুভূত হয়। কিন্তু বেলা বাবার সাথে সাথে গরমের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে থাকে। গ্রীষ্মের দাবানলের হাত থেকে বাঁচার জন্য মানুষ তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরে আসার চেষ্টা করে। দুপুরের সময় সূর্য উত্তপ্ত হয়ে যায়। সেই সময় রাস্তা ঘাটে খুব কম মানুষই দেখা যায়। এই গরমের সময় কৃষকরাও মাঠে কর্ষণ করে না। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফ্যানের হাওয়া বা এয়ার-কাণ্ডিশানের ঠাণ্ডা হাওয়ার তলায় মানুষ বসে থাকে। অনেকেই অফিস যান, তাদের জামাকাপড় ঘামে ভিজে যায়। ঘামের কারণে যেকোন মানুষ অসুবিধা বােধ করে।
বেলা দুটোর পর গরম প্রচণ্ড বৃদ্ধি পায়। সূর্যের লেলিহান শিখায় ভূমি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই সময়কার গরম অসহ্য করে তােলে।
সন্ধ্যাবেলা সূর্য ডােবার পর মানুষ আবার বেরােতে শুরু করে। বাগান, পার্ক এবং সৃজনশীল ক্ষেত্রগুলি পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন মানুষ মজা করে আইসক্রীম ও কোল্ড ড্রিঙ্ক খায়।
আধুনিক বিজ্ঞানের সহায়তায় গরম আরামদায়ক হয়ে উঠেছে। কিন্তু শুধুমাত্র ধনীরাই এই আরামের অংশীদার। একজন ধনী ব্যক্তির কাছে গ্রীষ্ম ও গরম না, শীত ও ঠাণ্ডা নয়। তারা প্রতিটি ঋতুকেই সমানভাবে উপভােগ করতে পারে।
Bengali Essay on "Compulsory Military Training", "আবশ্যিক মিলিটারী প্রশিক্ষণ অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Compulsory Military Training", "আবশ্যিক মিলিটারী প্রশিক্ষণ অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Compulsory Military Training in Bengali Language: In this article, we are providing আবশ্যিক মিলিটারী প্রশিক্ষণ অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on Compulsory Military Training.

Bengali Essay on "Compulsory Military Training", "আবশ্যিক মিলিটারী প্রশিক্ষণ অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

প্রতিটি ভারতীয় নাগরিকের জন্য মিলিটারী প্রশিক্ষণকে আবশ্যিক করে তােলার জন্য চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। পাকিস্থান এবং চীন যেভাবে ভারতকে গ্রাস করবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে, সেই সমস্যার সমাধানের জন্যই এই ধরনের চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। আমাদের নেতারা বুঝতে পারছেন যে এই দ্বিমুখী আক্রমণের হাত থেকে ভারতকে রক্ষা করার জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দৃঢ় সৈন্য বাহিনীর খুবই প্রয়ােজন। সুতরাং সারা দেশ জুড়ে 'Militurise the Nation' – এই স্লোগানই ধ্বনিত হচ্ছে।
সকল মানুষের জন্যই মিলিটারী প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং সাহায্যকারী। কারণ এর দ্বারা মানুষ নিঃসন্দেহে নিয়মানুবর্তি হতে পারে। এরই সাথে মানুষ পরার্থে সেবা, দান আত্মােৎসর্গ এবং সমস্ত কিছু ত্যাগ করতে শেখে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই বৈদেশিক আক্রমণের হাত থেকে আমরা নিজেদ্রেকে রক্ষা করতে পারি। মিলিটারী ট্রেনিং-এর মাধ্যমে দৈহিক দিক থেকে সুস্থ সবল এবং মানসিক দিক থেকে তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী হােতে পারে।
এর সাহায্যে আমাদের শক্তি এবং কর্মদক্ষতা দুইই বৃদ্ধি পায়। প্রকৃত পক্ষে ভারতীয় যুব শ্রেণীর জন্য মিলিটারী প্রশিক্ষণ আবশ্যিক করে তােলা খুবই প্রয়ােজনীয়, এর সাহায্যে শুধুমাত্র যে ভারতের শত্রুদের সাথেই লড়তে সক্ষম হবে তাই না, বরং এর সাহায্যে বিভিন্ন রকম রােগব্যাধির সাথেও লড়তে সক্ষম হবে এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যুদ্ধও লড়তে পারবে। মিলিটারি প্রশিক্ষণের দ্বারা আমাদের নৈতিক মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
প্রকৃতপক্ষে মিলিটারী প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে প্রচুর সামাজিকতা শেখা যায়। এর সাহায্যে বাধ্যবাধকতা এবং নির্দেশ পালন দুটিই রপ্ত করা যায়। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষ মাতৃভূমির জন্য আত্মত্যাগ করতে শেখে এবং তাকে সমস্ত রকম আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে। এর সাহায্যে মানুষ সেবা প্রদানের শিক্ষাও গ্রহণ করে। একজন সৈনিকের কাছে খাদ্য এবং আরামের থেকেও দায়িত্ব অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। সৈবিকরা দেশ এবং তার জনগণকে সেবা প্রদানের জন্য দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে যায়।
মিলিটারী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা সাধারণ আচরণও শিখে থাকি। আমাদের মধ্যে সময়ের মূল্য, দল গত দৃঢ়তা, নৈতিকতা, কর্তব্য পালন, কঠোর পরিশ্রম, চারিত্রিক মহানতা এবং সর্বপরি একজন ভালাে মানুষের অভাব আছে। মিলিটারী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা এই সমস্ত কিছু অর্জন করতে পারি।
বৈদেশিক আক্রমণ এবং আপদকালীন সময়ের জন্য মিলিটারী প্রশিক্ষণ খুবই প্রয়ােজনীয়। এই প্রশিক্ষণের সময় বিভিন্ন রকম আগ্নেয় অস্ত্র পরিচালনা করা শেখানাে হয়, যেমন রিভালবার, রাইফেল প্রভৃতি। এর সাহায্যে দেশের সুরক্ষা প্রদান করা সম্ভব।
মিলিটারী প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে প্রচুর সময় লাগে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই এবং এটি যথেষ্ট কষ্ট সাপেক্ষ কিন্তু এই নিয়মানুবর্তি মানুষটিকে পেয়ে দেশ যথেষ্ট উপকৃত হয়। এর সাহায্যে মানুষ বুঝতে পারে যে দেশের প্রতি কর্তব্য পালন করাই হল প্রধান উদ্দেশ্য এবং ব্যক্তিগত চাহিদার স্থান তারপর। আমাদের শস্যক্ষেত্র এবং কলকারখানাতেও এর প্রভাবপড়ে। এর দ্বারা আমাদের দেশে কোন রকম দূষণ এবং পক্ষপাত বিস্তার করতে পারবে না। দক্ষতা এবং কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়েই দেশ চালিত হবে।
নিম্নলিখিত বিষয়গুলির সাহায্যে আমরা মিলিটারী প্রশিক্ষণের প্রয়ােজনীয়তা অনুভব করতে পারব। এর সাহায্যে সেই দৃঢ়তা পাওয়া যায় যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংল্যান্ডের সৈন্যবাহিনীকে বিধস্ত করার জন্য স্যার চার্চিল প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। নেপােলিয়ান তার অনিমনিয় প্রভাব দেখাতে পেরেছিলেন তার মধ্যে সৈন্যদের মতন নিয়মানুবর্তিতা থাকার জন্য। এর সাহায্যে সেই শক্তি অর্জন করা যার যার সাহায্যে মহারানা প্রতাপ এবং শিবাজী তাঁদের শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। প্রকৃতপক্ষে মিলিটারী প্রশিক্ষণ বিভিন্ন দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যাইহােক, যদি আমরা ভারতকে মহান দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই তবে সমস্ত রকম আত্মকেন্দ্রিকতা এবং দূষণ দূর করতে হবে, এটাই হল সেই গুরুত্বপূর্ণ সময় যখন আমরা ভারতের যুব সমাজকে মাতৃভূমির সেবক এবং সৈন্য হিসাবে গড়ে তুলতে পারি। যুদ্ধের সময় এই প্রতিরক্ষা বিহীনিরাই আমাদের সর্বাধিক সেবা প্রদান করে থাকেন।
Bengali Essay on "Disadvantages of Technology", "প্রযুক্তির অসুবিধা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Disadvantages of Technology", "প্রযুক্তির অসুবিধা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Disadvantages of Technology in Bengali Language: In this article, we are providing প্রযুক্তির অসুবিধা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay onDisadvantages of Technology.

Bengali Essay on "Disadvantages of Technology", "প্রযুক্তির অসুবিধা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

কিভাবে কোন জিনিসকে উপস্থাপিত করা হবে সে সম্পর্কিত জ্ঞানই হল প্রযুক্তি বিদ্যা এবং এই বিমূর্ত চিন্তাকে গাণিতিক গণ বা বৈজ্ঞানিক গণ যে পদ্ধতিতে বাস্তবে পরিণত করে তাই হল কলা-কৌশল। এর সাহায্যেই মানুষ আকরিক পদার্থ খুঁজে বার করতে এবং তারপর সেটির থেকে জ্বালনি স্টিল, রাসায়নিক দ্রব্য, প্লাসটিক এবং খাদ্য প্রস্তুত করে। শিল্পের উন্নতি, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্বয়ংচল যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি বিদ্যাই আমাদেরকে সাহায্য করে। প্রযুক্তি বিদ্যার অগ্রগতির সাথে সাথে পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, প্রাকৃতিক দ্রব্য নিঃশেষিত হয়ে চলেছে, স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের উদ্ভাবন বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি করে চলেছে। এই প্রযুক্তি বিদ্যার দয়াতেই চতুর্দিকে শানিত অস্ত্রের উদ্ভাবন ঘটেছে।
Read also : Bengali Essay on "Urban life vs Village life
উনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দির মধ্যে রাসায়নিক শিল্পের উদ্ভাবন ঘটেছে। এর মাধ্যমে আকরিক পদার্থগুলি ধাতুতে পরিণত হয়েছে এবং তা শীল্পকে অগ্রসর করেছে। প্লাসটিক, সিন্থেটিক এবং কৃত্রিম আঁশের মতন দ্রব্যগুলির উদ্ভাবন ঘটেছে। প্রযুক্তি বিদ্যার উন্নতিরপথে গাইন্যামাে এবং ইলেকট্রিক মােটর উদ্দীপনার জোগান দিয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত শীল্পপতি হেনরি ফোর্ড মৌলিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটা উদ্ভাবন সংযােজিত করেছেন। এই প্রযুক্তির বিদ্যার উন্নতির ফলে বেকার মানুষদের জীবনে আরও অন্ধকার নেমে এসেছে, ধাতুজ উৎসের অপব্যবহার এবং মানুষের সামাজিক গন্তব্য চ্যুতির ফলে ধীরে ধীরে আমরা অন্ধকারের তলায় তলিয়ে যাচ্ছি।
Read also : Bengali Essay on "Science Boon or Curse", "vigyan ashirbad na abhishap"
দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর বায়ােটেকনােলজি এবং মানুষ তার নিজের শরীরকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করার সুযােগ পেয়ে মানুষ নিজেকে সুন্দর করে তুলতে পেরেছে। ঔষধের বিন্যাস অনেক ভয়ঙ্কর রােগের হাত থেকে মুক্তি ঘটিয়েছে। মানুষের জীবন রক্ষা করে দীর্ঘায়ু দিতে সক্ষম হয়েছে। মানুষের মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যও প্রচুর নূতন ঔষধের উদ্ভাবন ঘটানাে হয়েছে। এর দ্বারা চিকিৎসা শাস্ত্রে যে অভিনব উন্নতি ঘটেছে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই কিন্তু এটি সকলের হাতের মুঠোয় এসে যাওয়ার ফলে এক বিশাল সামাজিক অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে।
Read also : Essay on Wonder of Science Bengali Language
যুক্তির একেবারে নতুন সংযোেজন হল কম্প্যুটার। এর দ্বারা যে কোন সংখ্যা গণনা করা সম্ভব, এটা নির্দিষ্ট প্রাকম্লিক অবস্থায় বিভিন্ন রকম উৎপাদন এবং ভাবনা চিন্তার দ্বারা কার্য করা সম্ভব হয়। এর ফলে বেকারত্ব দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক সময় মেশিনের মাধ্যমে এই গণনার জন্য দেশ এবং জনসাধারণের জন্য অসুবিধার সৃষ্টি হয়। উপগ্রহে যাওয়ার জন্য বর্তমান দিনে বিশ্বজুড়ে যে প্রয়াস চলছে তা পৃথিবীকে এবং তার পরিবেশকে ক্রমাগত ধ্বংস করে চলেছে।
প্রযুক্তির বিদ্যার দয়ায় আজও মানুষ ও যন্ত্রে পরিণত হয়ে চলেছে। এই জন্য আমরা বলতে পারি প্রযুক্তি বিদ্যার জন্য শারীরিক, সামাজিক এবং মানবিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

Tuesday, 7 July 2020

Bengali Essay on "Soldier", "সৈনিক জীবন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Soldier", "সৈনিক জীবন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Soldier in Bengali Language: In this article, we are providing সৈনিক জীবন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on Life of a Soldier.

Bengali Essay on "Soldier", "সৈনিক জীবন বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

ভারতের সমস্ত বাসিন্দা প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য কিছু না কিছু দান করে থাকেন। কিন্তু ভারতের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য এই সৈন্যবাহিনীগণ যে ভূমিকা পালন করে তা সত্যিই অতুলনীয়। যে কোন সৈন্য যেকোন জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে পরিগণিত হয়। তাদের উপরেই দেশের সুরক্ষা এবং দৃঢ়তা নির্ভর করে।
একজন সৈন্যের জীবন নিঃসন্দেহে কঠোর এবং কষ্টদায়ক। এরা সর্বদাই তাদের পরিচালকের কথা মতন চলে এবং তিনি যে আদেশ দেন তা বাধ্যতার সাথে পালন করে। তারা সীমান্তে দিন রাত বিপদের সম্মুখীনতা করেও প্রহারা দিয়ে যায়। তারা শত্রুদের সঙ্গে নায়কাচিত ভঙ্গীতে লড়াই করে যায়। একজন সৈন্যিকের জন্য নিম্নোক্ত উদ্ধৃতিটিই উচ্চারণ করা যেতে পারে ?
Their's not to make reply,
Their's not to reason why,
their's bat to do and die."
একজন সৈনিক সাহসীকতার সাথে মৃত্যুকে বরণ করে নেয়। সে তার মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য জীবনে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যায়। যে দেশের জন্য জীবনের সমস্ত কিছু ত্যাগ করে দেয়। তারা দেশের প্রতিরক্ষার জন্য নিজেদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।
তাদের জীবনটা গােলাপের বিছানা নয় বরং সেটি তাে পাথর বিছানাে। তার সামান্য উপার্জন দ্বারাই যে তার এবং তার পরিবারে ভরণ পােষণ করে থাকে। সৈনিকের জীবন সত্যিই নিদারুণ কিন্তু তার জন্য তারা সামান্যতম ঘাবড়ায় না, তার কাছে দেশের প্রতিরক্ষার জন্য দায়িত্ব কর্তব্য পালনের থেকে উপরে কিছুই নেই।
যুদ্ধের সময় তারা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে গেলেও সেই সময় তাদের জনগণের সাহায্যের প্রয়ােজন হয়। ইন্দো-পাক যুদ্ধের.সময় ভারতীয় সৈনিকরা যে বীরত্বের প্রদর্শন করেছিল তা সত্যিই দৃষ্টান্ত স্বরূপ হয়ে উঠেছে। আমাদের সৈনিকরা পাকিস্থানের সাধারণ জনগণকে সহযােগিতা এবং সাহায্য করতে এতটুকু দ্বিধা করেনি। তারা তাদের খাদ্য ও পানীয়ের যােগান দিয়েছে এবং এতটুকু ক্ষতি করেনি। মহান সৈনিকের আদর্শেই ভারতীয় সৈনিকগণ চালিত হন।
সৈনিকগণ মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে সামান্যতম ভয় পায় না। কিন্তু তারা কখনই দায়িত্ব এড়িয়ে যায় না। তারা বন্ধুর উপত্যকা, গভীর অরণ্য, পাহাড় পর্বত এবং সমুভূমি সর্বত্রই বীরত্বের সাথে লড়াই করতে থাকে। দেশের সুরক্ষাই তাদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য।
একজন লেখক, একজন রাজনীতিবিদ, একজন সাধারণ মানুষ, একজন ব্যবসায়ী, এবং একজন শিক্ষক তাদের নিজেদের সক্ষমতা, আচরণ এবং কর্মের দ্বারা নিজেদের ভূমিকা পালন করে থাকেন। কিন্তু সৈন্যদল মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য যে দায়িত্ব কর্তব্য কর্ম পালন করে তা স্বতন্ত্র এবং সর্বশ্রেষ্ঠ। তারা দেশের জন্যই বাঁচে এবং তার সুরক্ষার জন্য জীবন দান করে। তারা ইতিহাস তৈরি করে এবং ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকে।

Monday, 6 July 2020

Bengali Essay on "Domestic Animals", "গৃহপালিত পশু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Domestic Animals", "গৃহপালিত পশু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Domestic Animals in Bengali Language: In this article, we are providing গৃহপালিত পশু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on Domestic Animals.

Bengali Essay on "Domestic Animals", "গৃহপালিত পশু বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

প্রত্যেকটি দেশের কাছে গৃহপালিত জন্তু একটা সাধারণ বিষয়। আমাদের দেশেও বিভিন্ন পরিবারের মধ্যে এই শখ দেখা যায়। বিভিন্ন প্রজাতির জন্তুকেই ঘরে পালন পােষণ করা হয়ে থাকে। প্রত্যেকে তাদের নিজের রুচি অনুযায়ী জন্তুদের নির্বাচন করে থাকেন, গৃহপালিত জন্তুরা যে শুধুমাত্র আনন্দই দান করে তা নয় বরং অনেক সময় এদের দ্বারা প্রচুর উপকার পাওয়া যায়।
গৃহপালিত জন্তুদের গুণে শেষ করা যায় না। তােতা পাখি থেকে শুরু করে পায়রা, কাকাতােয়া এবং ময়ূর সবই গৃহপালিত পক্ষী বিশেষ। এই গৃহপালিত জন্তুর সারিতে কুকুর, বিড়াল, ঘােড়া, খচ্চর এবং ঘােটকীও আছে। তারপর গরু, ছাগল, মহিষ, খরগােশ, হরিণ, কাঠবিড়ালী এবং বেজি সবই গৃহপালিত জন্তুর মধ্যে পড়ে। কিন্তু প্রতিটি পরিবার নিজেদের পছন্দ অনুসারেই জন্তু পুষে থাকে।
ভারত এবং ইউরােপের দেশগুলিতে সাধারণত কুকুর পােষার চলন আছে। কুকুরের ব্যাপারে ইউরােপিয়ানরা যথেষ্ট অনুরাগী। অনেক সময় তারা মানুষকেও অত যত্ন করে না যতটা কুকুরকে করে। কুকুর প্রচণ্ড বিশ্বাসী প্রাণী। এই কারণে অনেকেই গৃহপালিত জন্তুর মধ্যে কুকুরকেই সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে। কুকুর রাতে আমাদের সম্পত্তি পাহারা দেয় এবং চোরেদের হাত থেকে তা রক্ষা করে। তারা খুব সুন্দর ভাবে খেলতেও জানে। খেলার ব্যাপারে প্রভুরাই তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
অনেকে আবার বিড়াল ও বেজিও পুষে থাকে। বিড়াল যে শুধুমাত্র ইদুর মারে তাই নয়, অনেক সময় এটি আমাদের বিনােদনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু একই সঙ্গে তারা খাবার দাবারও চুরি করে খায়।
ময়ুর হল ভারতের জাতীয় পাখি, ভারতের বেশ কিছু স্থানে যথেষ্ট পরিমাণে ময়ুর দেখা যায়। বালুকাময় স্থানে তারা প্রচণ্ড খুশীতে থাকতে পারে। ময়ুর খুবই সুন্দর পাখি। রাজস্থানের বেশীর ভাগ পরিবার ময়ূর পুষে থাকে।
গরু এবং মহিষ ভারতের অর্থনীতিকে যথেষ্ট পরিমাণে সাহায্য করে থাকে। এমন কি ধর্মীয় দিক থেকে ভারতবর্ষে গরুকে পূজা করা হয় । হিন্দুদের কাছে গরু গােমাতা বলে পরিচিত। গরু দুধ খুবই পুষ্টিকর। এর বিষ্টা জ্বালানী এবং সার হিসাবে ব্যবহার করা হয়। গাে-চোনা থেকে ঔষধ প্রস্ত হয়। অনেকে এর মাংসও ভক্ষণ করে থাকে, তাদের গাে-ভক্ষক বলা হয়। কিন্তু বেশীর ভাগ মানুষই গরুর মাংস ভক্ষণকে খারাপ চোখে দেখে।
ভারতে ঘােড়াও খুবই পরিচিত একটা জন্তু। তারা খুব দ্রুত দৌড়াতে পারে বলে ঘােরার সময় তারা যানবাহন হিসাবে কাজ করে। প্রাচীন যুগে যখন ট্রেন বা প্লেনের আবিষ্কার হয়নি তখন যুদ্ধের জন্য ঘােড়া ছিল অপরিহার্য অংশ। প্রতিযােগীরা ঘােড়া পালন করে। গ্রামের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা এক স্থান থেকে অন্যত্র যাওয়ার জন্য ঘােড়াই ব্যবহার করে থাকে। এছাড়াও, সেখানে খচ্চর এবং গাধাও দেখা যায়। এরা জিনিসপত্র বহন করার কাজ করে। তারা বােঝা বহন করার পশু হিসাবেই পরিচিত।
অনেক মানুষ আবার পাখি, খরগােশ, হরিণ এবং ঘুঘু পুষে থাকেন। এই প্রাণীগুলি সত্যিই আনন্দ দান করে। পাখিদের কূজন প্রভুদের পুলকিত করে। তােতাপাখি খুবই পরিচিত গৃহপালিত প্রাণী। এই পাখিটি মানুষের মতন কথা বলতে জানে। অনেক আবার বানরও পুষে থাকে। তাদের অঙ্গভঙ্গী দেখে মানুষরা গৃহপালিত জন্তুদের কাছ থেকে আমরা অনেক কিছু শিখে থাকি। আমরা তাদের আওয়াজের ধরণ, খাদ্যাভ্যাস এবং পছন্দ ও অপছন্দ সম্পর্কে জানতে পারি। সর্বপরি তারা প্রভুর আনন্দ দান করে এবং তাদের নিয়ে থাকলে মানুষের সময় খুব সুন্দরভাবে অতিবাহিত হয়। অনেক মানুষ শখেও পশু পালন করে থাকে। তাদের দেখাশােনা করা সত্যিই ব্যয় সাপেক্ষ। তারা যদি সঠিক পরিচর্যা না পায় তবে যেকোন রােগে আক্রান্ত হতে পারে এবং মারাও যেতে পারে।
Bengali Essay on "Summer Season", "গ্রীষ্মের বর্ণনা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Summer Season", "গ্রীষ্মের বর্ণনা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Summer Season in Bengali Language: In this article, we are providing গ্রীষ্মের বর্ণনা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা for students. Bengali Essay on Summer Season.

Bengali Essay on "Summer Season", "গ্রীষ্মের বর্ণনা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Summer Season", "গ্রীষ্মের বর্ণনা বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10
ভারতবর্ষ এমন একটি স্থান যেখানে বিভিন্ন ধরনের ঋতুর আগমন দেখা যায়। প্রত্যেকটি ঋতুর নিজের বৈশিষ্ট্য এবং গুরুত্ব নিয়ে উপস্থিত হয়। শীতকালে ধনী ব্যক্তিরা দামি দামি শীতের বস্ত্র দেখাবার সুযােগ পায় এবং তারা বেশ আরামের মাধ্যমে শীত অতিবাহিত করে।
প্রত্যেকটি ঋতু তার নিজের বৈচিত্র এবং আনন্দ নিয়ে উপস্থিত হয়। কিন্তু গ্রীষ্মের সময় যে আনন্দ উপভােগ করা যায় তার সাথে অন্য কিছুর তুলনা হয় না।
বিভিন্ন রকম ফুল বিকশিত হওয়ার মধ্যে দিয়েই বসন্তের আগমন বার্তা শােনা যায়। বাগান, উপত্যকা, চারণভূমি এবং তৃণভূমিতে এই সময় সবুজের আস্তরণ দেখা যায়। প্রকৃতির সমস্ত দৃশ্যকে এই সময় ফুটন্ত এবং পরিপক্ক বলে মনে হয়। প্রকৃতি এই সময় নিজেকে আনন্দদায়ক ভঙ্গীতে উপস্থাপিত করে। প্রত্যেকটি বস্তুকে দেখে খুশী এবং উল্লাস বােধ হয়। গাছের পাতার ঠাণ্ডা ছায়ায় বসে পাখীরা গান গায়। বসন্তের সময় যে কোন ব্যক্তি, সম্পূর্ণ প্রকৃতি জুড়ে আনন্দের স্রোত অনুভব করতে পারে।
গ্রীষ্ম ঋতুটিকে প্রতিযােগিতা এবং খেলাধূলার সময় বলে চিহ্নিত করা যায়। সাধারণত গ্রীষ্মকালেই সাঁতার প্রতিযােগিতা হয়ে থাকে। দৌড় প্রতিযােগিতা ছাড়া অন্যান্য প্রতিযােগিতাগুলিও গ্রীষ্ম কালেই সম্পন্ন হয়।
এই সময় আমাদের শরীরের রক্ত ও সাধারণ গতিতে প্রবাহিত হয়। টাটকা ফল এবং বিভিন্ন রকম সজী পাওয়া যায় বলে এই সময় আমাদের রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রতিটি মানুষ নূতন ভাবে জীবন আরম্ভ করতে পারে।
ধনী ব্যক্তিরা এই সময় পাহাড়ী অঞ্চলে ঘুরতে যাওয়ার সুযােগ পায়। সম্রান্ত পরিবারের লােকেরা একটি স্বাস্থ্যকর আশ্রয়ের মধ্যে থেকেই গ্রীষ্মকালটি অতিবাহিত করেন। এই সময় পাহাড়ী অঞ্চলে একটা মুগ্ধ রূপের সৃষ্টি হয়। পাহাড়ি অঞ্চলগুলি জনারণ্যে পরিণত হয়। বিনােদনের কেন্দ্র গুলিতে এই সময় বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান, মেলা উৎসব সুন্দরী প্রতিযােগিতা, নাচের অনুষ্ঠান, নাটক সংগঠিত হয়। জনগণরা খুবই আনন্দের সাথে তাদের সংস্কৃতিকে উপভােগ করার সুযােগ পায়। ডালহৌসি, সিমলা, মুসৌরি, দার্জিলিং এবং নৈনিতাল সাংসারিক লােকেদের কাছে আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়।
এই সময় শিল্পীরাও তাদের শৈল্পিক গুণকে দেখাবার সুযােগ পায়। তারা তাদের ছবির সাহায্যে গ্রীষ্মের বিভিন্ন রূপকে ধরে রাখতে পারে। একটি ছবির মাধ্যমে তারা গ্রীষ্মের বিভিন্নরূপকে ধরে রাখতে পারে। একটি ছবির মাধ্যমে তারা গ্রীষ্মের আনন্দকে প্রকাশ করতে পারে। এই গ্রীষ্মের সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন ?
"Spring scatters the petals of flowers that are not for the fruits of the future but for the moments whim."

Sunday, 5 July 2020

Bengali Essay on "Urban life vs Village life", "শহুরে জীবন এবং গ্রাম্য জীবন রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Urban life vs Village life", "শহুরে জীবন এবং গ্রাম্য জীবন রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Urban life vs Village life in Bengali Language: In this article, we are providing শহুরে জীবন এবং গ্রাম্য জীবন রচনা for students. Bengali Essay on Urban life vs Village life.

Bengali Essay on "Urban life vs Village life", "শহুরে জীবন এবং গ্রাম্য জীবন রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

পৃথিবীর প্রতিটি বস্তুরই উৎকর্ষতা এবং অপকর্ষতা আছে। পৃথিবীর কোন কিছু সর্বগুণ সম্পন্ন নয়। শুধুমাত্র ভগবানের মধ্যেই সমস্ত গুণ খুঁজে পাওয়া যায়। সুতরাং শহুরে জীবন এবং গ্রাম্য জীবনের মধ্যে সুবিধা অসুবিধা। দুই বিদ্যমান। প্রয়ােজনীয় বস্তু, সুবিধা, আমােদপ্রমােদ এবং চিত্তবিনােদনের ব্যবস্থা শুধুমাত্র শহরেই পাওয়া যায় গ্রামে তা পাওয়া অসম্ভব।
একটি অতি পরিচিত কথা হল ভগবান আগে গ্রাম সৃষ্টি করেছেন এবং তারপর শহর। অনেকেই বিশ্বাস করে যে ভগবান গ্রাম বাস করে। কিন্তু এই বিশ্বাসের কারণ কি? কারণ আমরা গ্রামে খুব সহজেই শুদ্ধ প্রকৃতি এবং বাতাস পাই ও ঠাণ্ডা হাওয়া অনুভব করতে পারি। গ্রামবাসীরা পুষ্টিকর টাটটা সবজি এবং খাঁটি দুধ পায়। এমনকি গ্রামগুলিতে ধূলাে, ধোঁয়া, শব্দ এবং শহরের গরমের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। গ্রাম প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠে তাই সে ভগবানের কাছে থাকে। গ্রামের লােকেরা সহজ সরল হন এবং তারা সরল জীবন যাপন করে। তারা শহরের বাসিন্দাদের মতন অবলীলায় দুষ্কর্ম করতে ভয় পায়। গ্রামকে সরলতার প্রতিমূর্তি বলা যায় এবং এখানেই ভগবানের অধিষ্ঠান বলে ধরে নেওয়া হয়।
আরাে বিভিন্ন দিক থেকে শহরের চাইতে গ্রামকে অনেক বেশী উন্নত বলে মনে করা হয়। সবুজ ঘাসে ঢাকা মাঠ, বিস্তৃর্ণ তৃণভূমি, সবুজ গাছ, সুন্দর সবুজ শস্যক্ষেত্র এবং বর্ষণ রত ব্যস্ত কৃষক, পাখিদের কূজন সব মিলিয়ে গ্রামের দৃশ্য এক স্বর্গীয় শােভা বর্ধন করে।
কিন্তু এমন অনেক দ্রব্য আছে যেগুলি গ্রামে পাওয়া সম্ভব না। সেগুলি শুধুমাত্র শহরেই পাওয়া যায়। সিনেমা, টেলিফোন, টেলিভিশন, ফ্রিজ প্রভৃতি এই সুযােগগুলি শুধুমাত্র শহরেই প্রাপ্য। ক্লাব, কফি হাউস, রেস্তোরাঁ, থিয়েটার এবং শিল্প সংস্কৃতি এবং সামাজিকতার কেন্দ্র, এছাড়া আরােও বিভিন্ন কেন্দ্র শুধুমাত্র শহরেই পাওয়া যায়। এই সমস্ত বিষয়গুলির থেকে গ্রাম অনেক পিছিয়ে আছে।
শহরে বড় বড় শিল্প এবং কারখানা গড়ে ওঠার জন্য যে ধোঁয়াচ্ছন্ন পরিবেশ, নােংরা এবং কলহলপূর্ণ রাস্তা এবং আবর্জনা নির্গমনের পথ না থাকার জন্য যে দূষণ সৃষ্টি হয়েছে তা শহুরে জীবনকে ক্ষতিগ্রস্থ করে তুলেছে।
সুতরাং শহরের জীবন এবং গ্রামের জীবনের মধ্যে প্রচুর পার্থক্য আছে। একজনের কাছে যা পুর্ণ অপরের কাছে তাই অপূর্ণ। শহুরের মানুষরা গ্রামের মানুষের তুলনায় অনেক বেশী সুসভ্য, আধুনিক এবং চতুর। এখন পর্যন্ত ছােট গ্রাম্য জীবনে প্রচুর উপভােগ্য বস্তু আছে, কারণ এখানে দৃঢ়তা, স্থিরতা ও মানসিক শান্তি বিরাজ করে, এবং শহুরে মানুষের জীবনে এর অনুপস্থিতি। দেখা যায়।
Bengali Essay on "Life in a Big City", "একটি বড় শহরে জীবন রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Life in a Big City", "একটি বড় শহরে জীবন রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Life in a Big City in Bengali Language: In this article, we are providing একটি বড় শহরে জীবন রচনা for students. Bengali Essay on Life in a Big City.

Bengali Essay on "Life in a Big City", "একটি বড় শহরে জীবন রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

একটা বড় শহরের জীবনযাত্রাকে বিভিন্ন সৈন্যবাহিনীর যুদ্ধের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। একজন প্রতিবেশীর মুখ থেকে শােনা গেল ‘রেশন দোকানে চিনি এসে গেছে, সঙ্গে সঙ্গে তৎপরতার যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। নাওয়া খাওয়া ছেড়ে, বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ-এর কথা ভুলে গিয়ে শহরের বাসিন্দারা মিষ্টি দানা আনার জন্য রেশনের দোকানের সামনে গিয়ে ভিড় করে। সুতরাং এই বিন্যস্ত মানুষগুলি রেশন দোকানের সামনে গিয়ে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এখানে এসে শহুরে বাসিন্দারা পরে এসে আগে যাওয়া ব্যক্তিদের সাথে, চিহ্নিত প্রাপ্তি সঞ্চয়ের জন্য এবং অসৎ দোকানদারের সাথে যুদ্ধ করে। এই নায়কাচিত যুদ্ধের পর, সে তার প্রাপ্য পুরস্কার লাভ করে কিন্তু যারা তা পায় না তারা বাড়ি থেকে ‘সৈন্যবাহিনী’ ডেকে নিয়ে আসে।
শহরের বাসিন্দাদের কাছে বাস একটা বিশাল গাথা স্বরূপ প্রতিদিন সকালে বাস স্টপে আসার জন্য হাজার মিটার দৌড় প্রতিযােগিতায় নাম নথিভুক্ত করতে হয়। তারপর আছে পকেটমারের ভয়, তারা মহিলা বা বাচ্চা কাউদেরই চোখে দেখে না এবং কন্ডাক্টারের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়। গাড়ীর চাকা উঁচু নীচে পড়ার জন্য যে ঝাকুনি সৃষ্টি হয় তাতেও তারা অসহ্য বােধ করে।
ট্রেনের যাত্রীরা অগ্রণী পরিকল্পনা করে রাখে। দুমাস আগে অধিকার করা সিটের জন্য তারা লড়াই করে। টিকিট কাটার জন্য লম্বা লাইন দেখলে তারা পিছন দরজা দিয়ে ঢুকে যায় এবং টিকিট নিয়ে আসে। বুকিং ক্লার্ক দাঁত বার করার আগেই সে মুখে বলে সমস্ত সিট বুক হয়ে গেছে এবং হাতটিকে নিয়ােগ করে টাকা দেওয়ার কাজে, সঙ্গে সঙ্গে বুকিং ক্লার্কের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। অনেক সময় আমরা একটা ভদ্রচিত মৃদু আঘাত অনুভব করি, ঘুরে তাকিয়ে দেখি একজন বলিষ্ঠ মানুষ একটা একশাে টাকার নােট নিয়ে একটা টিকিটের জন্য প্রার্থনা করছে।
একজন শহরের বাসিন্দা তার সন্তানকে স্কুল, কলেজ বা কোন ভালাে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করার সময় পুনরায় যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। রেজিস্ট্রেশান ফর্মের লাইন, বাবা-মার ইন্টারভিউ, স্কুলের শিক্ষক, ক্লার্ক এবং পিওনদের অবজ্ঞাসূচক ব্যবহার, স্কুলের উন্নতির জন্য টাকা দিয়ে সাহায্য দান এবং আরাে অনেক কঠোর সংগ্রাম করতে হয়। যদি বাচ্চাকে ভর্তি করা যায় তবে তারপর বেশ মােটা অঙ্কের টাকার প্রয়ােজন হয স্কুলের পােশাকের জন্য, সামাজিক উৎসবের জন্য টাকা, প্রতিষ্ঠা দিবসের জন্য টাকা, ক্লাসরুম সাজানাের জন্য টাকা এবং আরাে কত কি। যদি মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পায় তবে সাংসারিক খরচের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নিয়ম পালন করতে হয়।
দুধের দোকানে অভিযান, ফোনের বুথে অভিযান এবং আমলাতন্ত্রবাদীদের বারান্দায় ধন্যা দেওয়া কোন কিছুর গুরুত্বকেই অস্বীকার করা যায় না। দ্রুতগামী রাস্তার যানবাহনের হাত থেকে বােকাসােকা চেহারার ডাকাত যে পাঁচ টাকার জন্য ছুরি বসাতেও দ্বিধা করে না, মিষ্টি কথায় ভােলানাে হকারদের হাত থেকে তাদের নিজেদের রক্ষা করতে হয়। ট্রাফিক জ্যাম, ভিড় দোকান, মূল্যবৃদ্ধি এবং নিজের জীবনযাত্রার মান রক্ষা করতে গিয়ে শহরের মানুষরা খুবই দ্বিধার মুখে পতিত হয়। এই বিষয়ে একটা নৈতিক প্রবাদবাক্য উচ্চারণ করা যেতে পারে – "Devil made the city and God made the town."
Bengali Essay on "Reading habits", "বই পড়ার অভ্যাস রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Bengali Essay on "Reading habits", "বই পড়ার অভ্যাস রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Reading habits in Bengali Language: In this article, we are providing বই পড়ার অভ্যাস রচনা for students. Bengali Essay on Reading habits.

Bengali Essay on "Reading habits", "বই পড়ার অভ্যাস রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

জ্ঞানের কোন সীমা নেই। আমরা অনেক জ্ঞান আরােহন করা সত্ত্বেও তৃপ্তি লাভ করতে পারি না যতক্ষণ আমরা তা নিরীক্ষণ করার সুযােগ পাই। মানুষের অভিব্যক্তি এবং তথ্য প্রদানের সাহায্যে পড়ার বইগুলি আমাদের অনেক জ্ঞান প্রদান করে থাকে। দুর্ভাগ্যবশত, ভারতীয়দের মধ্যে পড়ার অভ্যাস দেখা যায় না। এই কারণে ভারতে প্রতিবছর যে বইগুলি প্রকাশিত হয় তার মধ্যে সত্তর শতাংশই পড়ার বই কিন্তু পশ্চিমী দেশগুলিতে এর হার ত্রিশ শতাংশের বেশী নয়।
একদা, বিখ্যাত ভারতীয় লেখন মুলক রাজ আনন্দকে ভারতীয়দের পড়ার অভ্যাস কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন যে, লােকের মুখে শুনেই ভারতবাসীরা জ্ঞান আরােহন করে থাকেন এবং এটি বংশানুক্রমে চলে আসছে। পশ্চিমী শিক্ষা সরকারিভাবে ঘােষণা করেছিল যে, যে সমস্ত ব্যক্তিরা। পড়ে শেখেন তারা জ্ঞানের দিক থেকে পিছিয়ে থাকেন।
এমন কি বর্তমান যুগের আধুনিক শিক্ষার যুগেও ছাত্রদের জ্ঞান নেট মেমােরি’, শিক্ষকদের বক্তৃতা এবং পুনর উৎপাদনের উপর নির্ভর করে। ছাত্ররা প্রচুর জ্ঞান অর্জন করবে, এটাই আশা করা হয়ে থাকে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছাত্রদের মধ্যে একটা ভাসা ভাসা জ্ঞানের প্রভাব সৃষ্টি হয়, যার ফলে নিজের মধ্যে পড়ার প্রেরণা নষ্ট হয়।

সাধারণত পড়ার অভ্যাস তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে – শিক্ষা, পুস্তক বিবরণী এবং গ্রন্থাগার। প্রথম বিষয়টি শিক্ষা দানের সাথে সম্পর্কিত এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত শিক্ষা দানের বিষয়টি বর্তমানে ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, মূল লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার পরিবর্তে কম সময়ে বেশী প্রাপ্তির বিষয়টিকেই সকলে বেশী প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। এই কারণে পরীক্ষার জন্য তৈরি হওয়ার সময় বিদ্যার্থীগণ একটি উন্নতমানের বইয়ের তুলনায় সস্তা দামের অনুন্নত বই গুলিকেই বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বিদ্যার্থীদের জীবনের পথ তৈরি করা জন্য আত্ম সংশােধন এবং আত্ম উন্নতির প্রয়ােজন, এই পথ প্রস্তুতিতেও শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আত্ম উন্নতির জন্য প্রতিটি মানুষকে পড়া এবং বই দুটিকেই ভালােবাসতে জানতে হবে।
পড়ার বইগুলিতে সঠিক তথ্য সংযােজিত করতে হবে এবং এটাকেই পুস্তক বিবরণী বলা হয়। দুর্ভাগ্যবশত বাচ্চা এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য আমাদের কাছে কোন পড়ার বিষয়ই থাকে না। ভাষা হল অপর একটি গণ্ডী। আমাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের সাহিত্যের বিচ্ছেদ ঘটেছে কারণ আমাদের দেশে ভাষান্তরের সুযোেগ খুবই কম। সুতরাং দেশে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ভাষায় কি লেখা আছে আমরা তা জানিই না।
তৃতীয় কারণটি হল গ্রন্থাগার – এটি গ্রন্থাগারের ভূমিকাকে প্রতীয়মান করে তােলে, যার দ্বারা উপরের দুটি বিষয়কে সংযােজিত করা যায়। গ্রন্থাগারগুলিতে উন্নত ধরনের সংগ্রহ থাকা প্রয়ােজন, যাতে যেকোন বই সহজেই পাওয়া যায়।