Bengali Essay on "A visit to Zoo", "চিড়িয়াখানায় ঘুরতে যাওয়া রচনা প্রবন্ধ" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Admin
0
Essay on A visit to Zoo in Bengali Language: In this article, we are providing চিড়িয়াখানায় ঘুরতে যাওয়া রচনা প্রবন্ধ for students. Bengali essay on a visit to a Zoo in Bengali.

Bengali Essay on "A visit to Zoo", "চিড়িয়াখানায় ঘুরতে যাওয়া রচনা প্রবন্ধ" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

গত রবিবার চতুর্দিক প্রচণ্ড কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল। আমি এবং আমার বন্ধু সেইদিন চিড়িয়াখানায় গেছিলাম। চিড়িয়াখানার প্রধান গেটের সামনে উপনীত হওয়ার পর দেখলাম যে সেখানে প্রচণ্ড ভীড় হয়ে আছে। কেউ কেউ ভিতরে ঢােকার জন্য টিকিট কাটছিল, কেই কেউ নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন রকম গল্প করলেও কেউ কেউ গাছের তলায় আরাম করে দাঁড়িয়ে ছিল।
আমরা চিড়িয়াখানার ভেতরে ঢুকে সামনে এক বিশাল ঝিল দেখতে পেলাম, যেখানে হাঁসের মতন বেশ কিছু সুন্দর সুন্দর পাখী চরে বেড়াচ্ছিল। নিস্তরঙ্গ জলের উপর একটি সাদা হাঁস পরামন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এবং শােভা বিস্তার করছিল। এর পর যে ঘেরাটোপের মধ্যে পাখীদের বন্দী করে রাখা হয় আমার সেদিকে এগিয়ে গেছিলাম। বিভিন্ন ধরনের খাঁচায় কাকাতুয়া, ঈগল এবং টিয়া পাখীদের বন্দী করে রাখা হয়েছিল। পাখীগুলি কিচির মিক্সি শব্দ করছিল। এই মনােরম সুরটি আমরা প্রকৃতই উপভােগ করছিলাম।
পরবর্তী খাঁচার মধ্যে সিংহ এবং চিতাবাঘকে আটকে রাখা হয়েছিল। বাঘ এবং বাঘিনীদের স্থানটিকে পৃথক ভাবে রাখা হয়েছিল, আমরা সিংহের খাঁচার সামনে উপস্থিত হওয়ার পর একটা সিংহ আমাদের দিকে ধেয়ে এসেছিল, তা দেখে আমরা একটু ভয় পেয়ে গেছিলাম। তার চেহারাটা সত্যিই ভয় পাওয়ার মতই ছিল। এই গুলি দেখার পর আমরা বাগানের দিকে চলে গেছিলাম, সেখানে হরিণ এবং হরিণীরা ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এই জন্তুগুলি প্রকৃত সুন্দর এবং বুদ্ধিমতি প্রাণী। এই বাগানেরই এক প্রান্তে প্রচুর গাছ লাগানাে আছে, যেখানে বাঁদর এবং বেবুন গুলি নিজের মধ্যেই ঝপাঝাপি করে। তাদের দ্বারা সৃষ্ট কৌশলগুলি খুবই মনােরম। কিছু মানুষ তাদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রকম দানা শস্য ছুঁড়ে দিচ্ছিল, তারা সেগুলি খাওয়ার জন্য ঝাঁপ দিয়ে নীচে নামছিল। অনেক বাচ্চা আবার তাদের মতন মুখ ভঙ্গী করছিল।
আমার সবথেকে বেশী আকর্ষণের স্থান ছিল অ্যাকোরিয়াম, এরপর আমরা সেদিকে যাওয়ার জন্যই পা বাড়াই। সেখানে প্রচুর পরিমানে জলচর প্রাণী ছিল। সেই অ্যাকোরিয়ামগুলি খুব দামী এবং বিভিন্ন রঙের মাছ দ্বারা পূর্ণ ছিল। জলের মধ্যে তাদের চলাফেরার ভঙ্গী এক অপূর্ব রূপ সৃষ্টি করেছিল। যেখানে আরাে অনেক জলচর প্রাণী ছিল। এই দৃশ্য দেখার পরেই আমরা শ্বেত ভল্লুকের কাছে এসে উপনীত হয়েছিলাম, তাদের দেখে খুবই দুঃখিত বলে মনে হচ্ছিল।
এরপর কালাে ভল্লুকে পূর্ণ একটা খাঁচার সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলাম। তাদের প্রদর্শিত বিভিন্নরকম কৌশল দেখে দর্শকগণ শিহরিত হয়ে উঠেছিল। কিছু দর্শক তাদের কিছু খাদ্য প্রদান করেছিল, সেগুলি নেওয়ার জন্য তারা একবার নিচে এসেছিল।
এই চিড়িয়াখানাটির আয়তন বিশাল তাই এর সম্পর্কে বা সমস্ত রকম খোঁচার সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া অসম্ভব। সম্পূর্ণ চিড়িয়াখানা ঘােড়ার পর আমরা চিড়িয়াখানার ঠাণ্ডা এবং সুন্দর বাগানে বসে কিছুক্ষণ আরাম করে নিয়েছিলাম। চতুর্দিকে ফুলের গন্ধ মম্ করছিল। আমরা সেখানে বসেই কিছু খাদ্য এবং পানীয় খাওয়ার পর, নিজেদেরকে আরােও সতেজ লাগছিল। তারপর সন্ধ্যা নেমে আসে, সূর্য তখন প্রায় অস্তের পথে। অন্যান্য দর্শকদের মতন আমরাও চিড়িয়াখানা থেকে বেরিয়ে পড়েছিলাম। আমরা বাসে ওঠার পরেও আমি বাস থেকেই চিড়িয়াখানাটির দিকে তাকিয়ে থাকি, এর একদিকে লাল কেল্লার প্রাচীন প্রাচীর এর শ্রী দ্বিগুণ করে তুলেছে। চিড়িয়াখানা ঘুরতে যাওয়ার এই রােমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা আমি কোন দিন ভুলব না।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !