Tuesday, 30 June 2020

Bengali Essay on "Visit to A Historical Place Delhi", "একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Visit to A Historical Place Delhi in Bengali Language: In this article, we are providing একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা for students. Visit to A Historical Place Delhi in Bengali Essay.

Bengali Essay on "Visit to A Historical Place Delhi", "একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

দিল্লীকে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক শহর রূপে চিহ্নিত করা যায়। এর ঐতিহাসিক অতীতটি যথেষ্ট সমৃদ্ধশালী। ধ্বংসপ্রাপ্ত কেল্লা, স্তম্ভ মন্দির মসজিদ, সমাধি এবং এই সময়কার ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ দিল্লীকে জাঁকজমকতার ভূমি বলে আখ্যায়িত করা যায়। প্রাচীন রাজধানী, আক্রমণ এবং লুণ্ঠন সবদিক থেকেই দিল্লীর ইতিহাস যথেষ্ট শক্তিশালী। ভারতের সমস্ত মহান পরিকল্পনাগুলি গড়ে উঠেছিল দিল্লীকে কেন্দ্র করে। প্রাচীন হিন্দু রাজা থেকে সুরু করে মােঘল সাম্রাজ্য পর্যন্ত সমস্ত সম্রাটেরই রাজধানী ছিল দিল্লী। প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় এবং বিদেশী সকলের চোখেই দিল্লী ছিল এক উজ্জ্বল শহর আর এই কারণেই এর ঐতিহাসিক অতীত যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। এটিকে সাতবার বিধ্বস্ত করা হয়েছে এবং সাতবারই পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।
Read also: Bengali Essay on "Visit to a Circus", "আমার দেখা একটি সার্কাস বাংলা রচনা"
প্রায় হাজার বছর আগে দিল্লী ছিল হিন্দু রাজবংশের রাজধানী এবং পাণ্ডবরা এর নাম রেখেছিলেন ইন্দ্রপ্রস্থ। মুসলিম সম্রাটরাও এটিকেই রাজধানী বলে স্বীকার করে নিয়েছিলেন এবং বংশ পরম্পরা অনুযায়ী তারা এখানেই ছিলেন এবং এক একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে সমৃদ্ধ করে গেছেন। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, বর্তমান দিল্লী সৃষ্টি করেছিলেন শাজাহান। লাল কেল্লা ছিল প্রধান স্থান। শাজাহানের সময়কার দিল্লী লালকেল্লা এবং চাঁদনি চককে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল। তারপর ললাদি বংশ ক্ষমতায় আসার পর লােদী টম এবং লােদী গার্ডেনকে কেন্দ্র করেই তাদের সমস্ত কর্মক্ষেত্রগুলি বিস্তৃত ছিল। অন্যান্য মুসলিম রাজারাও তাদের নিজেদের পছন্দ মতন স্থান নির্বাচিত করে নিয়েছিলেন। পাণ্ডবদের সময় দিল্লীর প্রধান এলাকা ছিল প্রাচীন দুর্গ এবং তার পার্শ্বস্থ অঞ্চল।
Read also: Bengali Essay on "A Visit to Cinema", "একটা সিনেমা দেখতে যাওয়া বাংলা রচনা"
দিল্লী শহরকে ঘিরে এক বিশাল প্রাচীর দেওয়া ছিল যা পরবর্তীকালে ভেঙে যায়। ভারতের অতীতের এক উজ্জ্বল ছবি বহন করে রেখেছে এই দিল্লী। এখানে প্রচুর ঐতিহাসিক প্রসাদ এবং দর্শনীয় স্তম্ভ আছে। হুমায়ুনের স্ত্রীর সৃষ্ট হুমায়ুন টমকে শিল্প এবং কারুশিল্পের অবিস্মরণীয় সৃষ্টি বলে চিহ্নিত করা যায়। কুতুবমিনার হল আর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, এর সৃষ্টি শুরু করেছিলেন কুতুবুদ্দিন আইবক এবং এটি শেষ করেছিল ইলুতকমিস। এখানে সফদরজং এবং নিজামুদ্দিনেরও সমাধি আছে। এই সমাধিগুলি এখন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হলেও এগুলিকে পুনরায় সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
Read also: Bengali Essay on "A Journey by Train", "এট্রেন ভ্রমণ বাংলা রচনা"
ভারতবর্ষ যখন ইংরেজদের শাসনে ছিল তখনও দিল্লীই তাদের রাজধানী ছিল। স্বাধীন ভারত সরকারের রাজধানীও হল দিল্লী এবং ভারত ও বিশ্বের বহু সংস্থা এখানে অবস্থিত। এখানে প্রচুর সরকারি কার্যালয়, দূতাবাস, উচ্চ কমিশন এবং বাণিজ্যিক সংস্থা আছে। এই শহরটি খুব সুন্দরভাবে নির্মিত এবং আকর্ষণীয় শহর। এখানে প্রচুর সুন্দর পার্ক এবং সবুজ বাগান আছে। নূতন দিল্লীতে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচুর কার্যালয়, রাষ্ট্রপতি ভবন, পার্লামেন্ট হাউস এবং প্রাচীন রাজাদের প্রাসাদ ও গৃহ অবস্থিত।
বাণিজ্যিক কেন্দ্র কন্নট প্লেসকে একটি বিখ্যাত কেনাকাটার স্থান বলে চিহ্নিত করা যায়। সন্ধ্যার সময় এই অঞ্চলটির সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এখানে বিভিন্ন ধরনের আলাে জ্বলে এবং গানের সুর ধ্বনিত হয়।
Read also: Bengali Essay on "A visit to a Hill Station", "পাহাড় ভ্রমণ বাংলা রচনা"
দিল্লী যেমন ঐতিহাসিক ক্ষেত্রে হিসাবে বিখ্যাত একই সাথে এটি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান কার্যালয় তাই এখানকার গুরুত্ব দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই শহরটি সারা বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত একটি শহর। এটি প্রাচীন এবং আধুনিক ঐতিহ্যের জন্য, ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া স্মৃতি সৌধ এবং মােঘলদের সৃষ্টি কারু শিল্পের জন্য এটি একটি অদ্ভুত স্থান বলে চিহ্নিত হয়েছে। সমস্ত দিক দিয়েই দিল্লীকে সচেতন শহর বলে চিহ্নিত করা যায়। প্রতিটি মানুষ ব্যাকুল দৃষ্টিতে এই ভারতের এই ঐতিহাসিক শহরটির দিকে তাকিয়ে থাকেন। দিল্লীকে প্রাচীন দ্রব্যের সংগ্রহশালা বলে চিহ্নিত করা যায়।

SHARE THIS

Author:

I am writing to express my concern over the Hindi Language. I have iven my views and thoughts about Hindi Language. Hindivyakran.com contains a large number of hindi litracy articles.

0 comments: