Monday, 3 August 2020

Push in The Boot Story in Bengali জুততার মধ্যে পুশ গল্প বাংলা

Push in The Boot Story in Bengali Language: In this article, we are providing জুততার মধ্যে পুশ গল্প বাংলা for students. Push in The Boot Story Bangla.

Push in The Boot Story in Bengali জুততার মধ্যে পুশ গল্প বাংলা

একদা সেখানে একজন দরিদ্র গ্রামবাসী বাস করত, তার তিন পুত্র ছিল। তার মৃত্যুর পর তার ছেলেরা ঠিক করল যৎসামান্য যা আছে তারা তা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেবে। বড় ছেলে ভাগে বাড়ি পেল, মেজ ছেলের ভাগ্যে জুটলাে গাধা এবং ছােটছেলে পেল বাবার পােষা বিড়াল, যার নাম পুশ।
ছােট ছেলে আপন মনে বলে এই পৃথিবীতে আমি এই বিড়ালটা নিয়ে কি করব?’ সে নিজের খাদ্যের জন্য বার্লির ব্যবস্থা করেছিল কিন্তু এই গৃহপালিত প্রাণীটিকে কিছু দেওয়ার মতন সামর্থ তার ছিল না।
পুশ ছােট ছেলের কাছে গিয়ে বলে ‘ভয় পেও না প্রভু। যদি তুমি আমাকে একটা বস্তা ও একজোড়া জুতাে দিতে পার তবে দেখবে যে তােমার কাছে তােমার বাবার সবচেয়ে মূল্যবান বস্তুটি আছে।
যুবকটি ভাবল হয়তাে সে সত্যিই কিছু হারায়নি, বিড়ালটি যা চাইছে। তা দিয়ে দেখা যাক।
বিড়ালটি পুরানাে জুতাে দুটি রাখে এবং এমন জায়গায় বস্তাটা বিছায় যেখানে প্রচুর ছুঁচো তাদের খাদ্যের অন্বেষণে আসে, বিড়ালটা তা জানতাে। সে বস্তার মধ্যে কিছু টাটকা ঘাস ভরে এবং মরার মতন বস্তার পাশে পড়ে থাকে। অনেকক্ষণ বাদে যখন ছুঁচোগুলি বস্তার মধ্যে ঢুকে পড়ে তখন পুশ বস্তার মুখটা ধরে নেয়।
সে বস্তাটি নিয়ে সােজা রাজার কাছে চলে যায় এবং রাজার সাথে দেখা করতে চায়। পুশ রাজার কাছে পৌছে মাথা নত করে রাজাকে সম্মান জ্ঞাপন করে এবং এই হৃদপুষ্ট ছুঁচোগুলি গ্রহণ করার জন্য অনুরােধ করে বলে কারাবাসের ডিউক আমার প্রভু, আপনার জন্য এই উপহার প্রেরণ করেছেন, দয়া করে এগুলি স্বীকার করান। (সে তার প্রভুর জন্য এই নামটি খুঁজে বের করেছিল)।
রাজা সেগুলি গ্রহণ করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে। কিছুদিন বাদে বিড়ালটি আবার ফিরে আসে এবং রাজাকে একজোড়া হৃষ্টপুষ্ট, সাদা ঘুঘু উপহার দেয়, এবং আরও কিছু দিন বাদে এক ডজন তিতির পাখীর ডিম উপহার দেয়।
প্রায় প্রত্যেক সপ্তাহতেই পুশ রাজার জন্য নিত্য নূতন উপহার নিয়ে আসত এবং বলত তার প্রভু কারাবাসের ডিউক প্রেরণ করেছে। পুশের এই ব্যবহার রাজাকে সত্যিই আনন্দ দান করে এবং সে এই উপহারগুলি পেয়ে খুবই খুশী হয়।
কিন্তু তার প্রভু সম্পর্কে তার মনে একটা বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়। এই রহস্যময় কারাবাসের ডিউকক এবং কেন রাজা তার সম্পর্কে কিছুই শুনতে পায় না? শেষ পর্যন্ত রাজা বুঝতে পারেন যে সে যেই হােক না কেন সে খুবই স্বহৃদয় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষ।
একদিন বিড়ালটি রাজা এবং তার মেয়েকে ঘােড়ার পিঠে চড়ে নদীর ধারে ঘুরতে দেখল। পুশ তার প্রভুর কাছে গিয়ে তার শার্টটি চাইল এবং পরের দিন দুপুরে নদীর কাছে অবস্থিত সেতুর উপর দাঁড়িয়ে থাকতে বলল।
পুশকে বিশ্বাস করে তার প্রভু তার কথা মতন সমস্ত কিছু করল। পরের দিন দুপুর বেলা রাজা যখন সেতুর উপর দিয়ে যাচ্ছিল তখন বিড়ালটি কঁদতে কাঁদতে ছুটতে থাকে এবং বলে সাহায্য করুন, সাহায্য করুন, আমার প্রভু কারাবাসের ডিউক জলে ডুবে যাচ্ছে!
রাজা এই বিড়ালটিকে চিনত এবং সে এই ডিউকের নাম বার শুনেছে, সে তার রক্ষীদের এই লােকটিকে বাঁচানাের আদেশ দেয়।
পুশ রাজাকে বলে তার প্রভুর জামা কাপড় চুরি হয়ে গেছে। রাজা কারাবাসের ডিউককে নিজের থেকে একটা পােশাক দিয়ে দেয়। ডিউক খুবই খুশী হয় এবং তার এই দয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে। এই সুন্দর পােশাক পরে তাকে খুবই সুন্দর দেখাচ্ছিল সে মনে মনে বলে রাজার মেয়ে খুবই সুন্দরী।
রাজা ডিউককে তাদের সাথে ঘােড়ার পিঠে চড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। তারা যখন আনন্দের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিল তখন বিড়ালটি ছুটে গাড়ীতে উঠে পড়ে এবং এই রাজকীয় সুখ পেয়ে সে খুবই খুশী হয়।
যাওয়ার পথে পুশের সাথে যে সমস্ত চাষী ও শ্রমিকদের দেখা হয়েছিল তাদের সবাইকে ডেকে পুশ বলে যখন রাজা এই রাস্তা দিয়ে যাবে তখন তােমরা সবাই বলবে এগুলি কারাবাসের ডিউকের সম্পত্তি। যদি তােমরা তা না বল তবে প্রাসাদে যে রাক্ষসটি বাস করে সে, তােমাদের টুকরাে টুকরাে করে কেটে সেদ্ধ করে ফেলবে।
প্রত্যেক শ্রমিক এবং চাষি প্রাসাদে বসবাসকারী রাক্ষসকে খুবই ভয়, পেত এবং তাই তারা বিড়ালের কথা মতন কাজ করতে থাকে।
রাজা যখন দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করে তারা যে জমির উপর দিয়ে যাচ্ছে সেগুলি কার, তখন সে শুনতে পায় এই সমস্ত জমি কারাবাসের ডিউকের।
রাজা ডিউককে বলে হঠাৎ করে তুমি অনেক জমি করে ফেলছে।
রাজকন্যা তার দিকে তাকিয়ে হাসে, ডিউক অন্যদিকে ফিরে হাসে। কি হােত চলেছে সে সম্পর্কে তার কোন জ্ঞানই ছিল না। সে শুধুমাত্র সুন্দরী রাজকন্যার সম্পর্কে চিন্তা করছিল।
অবশেষে পুশ এই বৃহৎ প্রাসাদে এসে পৌছালাে, সেখানে সত্যিই একটা রাক্ষস বাস করত, সে সমস্ত জমি পেরিয়েই এসেছিল। পুশ এই রাক্ষস সম্পর্কে সব জানত। সে প্রাসাদের ভেতরে গিয়ে তার সাথে দেখা করতে চাইল।
বেশ খানিকক্ষণ বাদে বিড়ালটিকে রাক্ষসের সামনে নিয়ে যাওয়া হল।
পুশ রাক্ষসকে বল ‘শুনেছি তুমি ইচ্ছা করলে যেকোন প্রাণীর রূপ ধারণ করতে পার, বর্তমানে তুমি ইচ্ছা করলে সিংহ হতে পারবে।
রাক্ষসটি বলে ঠিকই শুনেছ’ এবং সঙ্গে সঙ্গে সে সিংহের রূপ ধারণ করে।
বিড়ালটি দেখে তার সামনে একটা হিংস্র সিংহ উপস্থিত এবং একটা দীর্ঘ আলমারি লাফিয়ে পেরিয়ে যায়। কিন্তু তার জুতােটা ভেতর থেকে খুবই মসৃণ হয়ে গেছিল তাই সে পিছলে যায়। রাক্ষসটি পুনরায় রাক্ষসের রূপ ধারণ করে।
পুশ রাক্ষসকে তার এই প্রদর্শনের জন্য প্রচণ্ড বাহবা দিতে লাগল।
বিড়ালটি পুনরায় বলল - মানুষেরা বলে তুমি নিজেকে ক্ষুদ্রতর প্রাণীতেও পরিণত করে নিতে পার। যেমন ধর ইঁদুর কিন্তু আমার মনে হয় এটা অসম্ভব।
রাক্ষসটি রেগে গিয়ে বলে ‘অসম্ভব এই বার দেখ। তারপর সে নিজেকে ক্ষুদ্র উঁদুরে রূপান্তরিত করে।
ভগবানের আশীর্বাদে পুশ ছিল বিড়াল এবং সে এক ফোটা সময় নষ্ট করে তাকে খেয়ে নেয়।
তার ঠিক একটু পরেই রাজার গাড়ী এসে দাঁড়ায় প্রাসাদের সামনে। পুশ দৌড়ে এসে তাদের সাথে দেখা করে এবং বলে সুস্বাগতম, মহাশয় এটা কারাবাসের ডিউকের প্রাসাদ।
রাজা ডিউকে জিজ্ঞাসা করে বন্ধু এটা তােমার প্রাসাদ ? আমরা কি ভেতরে যেতে পারি।
ডিউক হাসে এবং রাজকন্যাকে গাড়ী থেকে নামার জন্য সাহায্য করে। বিড়ালের নির্দেশ মতন রাক্ষসের ভৃত্যগণ খুবই সুস্বাদু খাদ্যের আয়ােজন করে রেখেছিল।
খাবার যাওয়ার পর রাজা ঠিক করে যে এক্ষুনি কারাবাসের ডিউকের সাথে রাজকন্যার বিবাহ দেওয়া হবে কারণ তারা একে অপরকে ভালােবাসে ফেলেছে।
এই সমস্ত কাণ্ডের পর পুশ তার বুটের মধ্যে ঢুকে যায় এবং মাঝে মধ্যে মজাদার কিছু করার জন্য বাইরে আসত, তা না হলে সে ওখানেই বসে থাকত।

SHARE THIS

Author:

I am writing to express my concern over the Hindi Language. I have iven my views and thoughts about Hindi Language. Hindivyakran.com contains a large number of hindi litracy articles.

0 comments: