Saturday, 27 June 2020

Bengali Essay on "Science Boon or Curse", "vigyan ashirbad na abhishap", "বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশীর্বাদ বাংলা রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Essay on Science Boon or Curse in Bengali Language: In this article, we are providing বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশীর্বাদ বাংলা রচনা for students. vigyan ashirbad na abhishap essay in bengali.

Bengali Essay on "Science Boon or Curse", "vigyan ashirbad na abhishap", "বিজ্ঞান অভিশাপ নয় আশীর্বাদ বাংলা রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

“বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন আমাদের আনন্দ দেয় কি?” – এটি বর্তমান যুগের একটা জনপ্রিয় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।
কিছু বছর আগেও আমরা যেগুলি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারতাম না, বর্তমানে বিজ্ঞান আমাদেরকে সেই আরাম দান করেছে। আজকের দিনে আমরা রেডিওতে সুইচ দেওয়ার সাথে সাথে গান শুনতে পারি। আমাদের সকলের কাছেই বিদ্যুৎ, টেলিফোন, টিভি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনিং প্লান্ট, স্যাটালাইট, সেলুলার ফোন, দ্রুতগামী ট্রেন, বায়ুযান এবং অত্যাধুনিক ঔষধ পত্রের সুবিধা বিদ্যমান। এই সমস্ত কিছুর সাহায্যে মানুষের জীবন খুবই আরামদায়ক হয়ে উঠেছে। বাথরুমে ব্যবহৃত শাওয়ার বৈদ্যুতিক পাখা, সিনেমা, গাড়ী, ট্রাম এবং বৃহদাকার বিমান প্রভৃতি সবই বিজ্ঞানের দান এবং এই দানের মাধ্যমে মানুষের জীবন যাপন অনেক বেশী আনন্দময় হয়ে উঠেছে।
বিজ্ঞানের সাহায্যে পরিবহন ব্যবস্থা খুবই দক্ষ এবং সহজতর হয়ে উঠেছে। পৃথিবী এখন আমাদের কাছে ছােট গ্রামে পরিণত হয়েছে। কিন্তু অতীতকালের ভ্রমণের মধ্যে যে রােমাঞ্চকতা এবং উত্তেজনা ছিল বর্তমান দিনে তা সম্পূর্ণ লােপ পেতে বসেছে। বর্তমান ভ্রমণকে নিরস ব্যবসার সাথে তুলনা করা যায়।
বড় বড় শহরে বাস করা মানুষেরা বিভিন্ন দিক থেকে প্রচুর সুবিধা পেলেও, অনেক দিক থেকে যথেষ্ট অসুবিধা তাদের ভােগ করতে হয়। শহরের মানুষের কাছে কোন অবসর থাকে না। এই জীবন প্রচণ্ড ব্যস্ত এবং যান্ত্রিক, সুতরাং তাদের কাছে দাঁড়ানাের কোন সুযােগ থাকে না। তাদের জীবনটা ধীরে ধীরে কৃত্রিম হয়ে ওঠে যেখানে কোন রকম আনন্দ এবং উত্তেজনার স্থান থাকে না।
বর্তমান যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলে অভিহিত করা যায়, যার ফলে মানুষ যথেষ্ট যান্ত্রিক হয়ে গেছে এবং সমস্ত কাজের মধ্যে ভাবনা চিন্তার সমাবেশ থাকে। বিজ্ঞান খুবই এগিয়ে গেছে এবং সেই সাথে সমাজও যথেষ্ট উন্নত হয়ে উঠেছে। বিজ্ঞানের রাজধানী এই বিশ্ব থেকে ভালােবাসা, পারস্পরিক টান এবং আবেগের মতন বিষয়গুলি লুপ্ত হয়ে গেছে। সুতরাং এখন প্রশ্ন হল বিজ্ঞান মানুষকে কি দিচ্ছে? বিশ্বের উন্নতি ঘটলেও মানুষের আত্মার অবনতি ঘটছে। যান্ত্রিক জীবনের উন্নতি হলে আধ্যাত্মিক জীবনের অবনতি ঘটে। দর্শন, সংস্কৃতি এবং কবিতার মতন বিষয়গুলি মানুষের জীবন থেকে লুপ্ত হােতে বসেছে কারণ বিজ্ঞান দ্রুত গতিতে তার শাখা প্রশাখা বিস্তার করে চলেছে।
বিজ্ঞানের অন্যতম ধ্বংসাত্মক দিক হল, অস্ত্রের উদ্ভাবন যার ফলে মানুষের জীবন ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লেজার বিমস, নিউট্রন বােম, এবং হাইড্রোজেন বােমার সৃষ্টির ফলে মানুষের অস্তিত্ব যেকোন দিন বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। যদি এই অস্ত্রের ব্যবহার শুরু করা হয় তবে মানুষের সম্পূর্ণ অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে যাবে।
এই বিষয়টি নিয়ে একটা দ্বিধা থেকেই যায়। কারণ কেউই একে সম্পূর্ণ আশীৰ্বাদ হিসাবে গ্রহণ করতে পারে না আবার কেউই একে সম্পূর্ণ অভিশাপও বলতে পারে না। একজন বিজ্ঞানী যা সৃষ্টি করে একজন রাজনীতিবিদ তাই অপপ্রয়ােগ করে থাকে। আর এই অপপ্রয়ােগই বিশ্বকে ধ্বংসের মুখে পতিত করে। এই দিক দিয়ে বিচার করলে বিজ্ঞানকে আমাদের জন্য অভিশাপ বলেই মনে হয়। এখন আমাদের কাছে অনেক উন্নতমানের ঔষধ এবং শল্যচিকিৎসার জন্য প্রয়ােজনীয় যন্ত্রাংশ আছে কিন্তু মানুষ দিনে দিনে শারীরিক এবং মানসিক উভয় দিক থেকেই দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এর কারণ কি? বর্তমান দিনে আমাদের কান, ফুসফুস, এবং যকৃৎ সমস্ত কিছুই যথেষ্ট স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে এর কারণ হল দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাওয়া ধোঁয়াটে এবং ধুলময় পরিবেশ। সুতরাং বিজ্ঞান নিজের অত্যাধুনিক সাফল্যের সাহায্যে মানুষকে খুশী করতে পারলেও তারই সাথে সে তার ধ্বংসাত্মক শক্তি দেখিয়ে আমাদের আনন্দ কেড়ে নিচ্ছে। বিজ্ঞান মানুষকে খুশী করার জন্য তার বিভিন্ন রূপ সৃষ্টি করলেও কিছু মানুষ এবং বিশেষ করে রাজনৈতিকদের অপব্যবহারই বিজ্ঞানকে অভিশাপে পরিণত করছে।

SHARE THIS

Author:

I am writing to express my concern over the Hindi Language. I have iven my views and thoughts about Hindi Language. Hindivyakran.com contains a large number of hindi litracy articles.

0 comments: