Bengali Essay on "A Visit to Village", "Ekti Gramer Bhramanara Abhiyanta Rachna", "একটি গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Admin
0
Essay on A Visit to Village in Bengali Language: In this article, we are providing একটি গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ রচনা for students. Ekti Gramer Bhramanara Abhiyanta Rachna in Bengali.

Bengali Essay on "A Visit to Village", "Ekti Gramer Bhramanara Abhiyanta Rachna", "একটি গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

দিল্লীর কোন বাসিন্দা যদি গ্রামে ঘুরতে যান তবে তার মনে হবে যে, সে একটা ভিন্ন গ্রহে এসে পড়েছে। শহুরে জীবন খুব দ্রুত অতিবাহিত হয়, এইরূপ কঠিন পরিস্থিতিতে শান্তি অনুভব করা এক অলীক কল্পনারই সমান। গাড়ীর ধোঁয়ায় শহরের সমস্ত স্থান আচ্ছাদিত থাকে। একটা স্থানে পৌছানােই ছিল আমাজের উদ্দেশ্য। প্রত্যেকেই এক স্থান থেকে অপর স্থানে ছুটে যেতে হয় জীবিকার উদ্দেশ্যে। তারা নিজস্ব গাড়ী, মােটর সাইকেল বা ডিটিসি বাসের সাহায্যে গ্রহণ করেন। পশু পক্ষীরাও এই স্থান ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে।
আমি জীবনে এই প্রথম গ্রামে ঘুরতে এসেছিলাম, এটি দিল্লী থেকে খুব বেশী দূরে নয়। সকাল বেলা শুধুমাত্র একটা বাসই এই পথে আসে এবং সন্ধ্যার সময় এটা ফিরে যায়। যাত্রীরা যে শুধুমাত্র দুধের ড্রাম তােলে তাই না বরং প্রচুর ব্যাগও তােলে। অনেকে বাসের ছাদে বসে যায়। বাসটি গ্রামের পথ ধরার সাথে সাথেই বিস্তীর্ণ সবুজ ক্ষেত আমার নজর কেড়ে নিয়েছিল। কৃষকগণ শীতকালীন শস্য চাষ করেছিল এবং সকাল বেলা তারা সেগুলিতে সযত্নে জল দিচ্ছিল। শহরের কোন স্থানে এত সবুজ আমি কখনও দেখিনি।
বাসটি একটি পুকুরের কাছে এসে দাঁড়িয়ে গেছিল, সেখান থেকে খুব বাজে একটা গন্ধ বেরচ্ছিল। আমি একটা রুমাল দিয়ে আমার নাক ঢেকে দিয়েছিলাম। আমরা একটা স্কুলে যেতে চেয়েছিলাম। রাস্তাটি মাটির ছিল। আমরা চলতে শুরু করলে কিছু গরু এবং মমহিষ পিছন থেকে ধেয়ে এসেছিল। তারা খুব দ্রুত গতিতে দৌড়াচ্ছিল, আর একটু হলেই আমি। গোতা খেতাম কিন্তু খুব সচেতন ভাবে নিজেকে বাঁচিয়ে নিই।
একজন বৃদ্ধ খাটিয়ার উপর বসে হুক্কা সেবন করছিলেন। কয়েকজন শিশু তাকে ঘিরে খেলা করছিল। মনে হচ্ছিল যেন জীবন এখানেই থেমে গেছে। আমি একজন গ্রামবাসীর কাছে স্কুলের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি একজন বাচ্চাকে আমাকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেখানে দুই কামরা বিশিষ্ট একটা ছােট বাড়ী ছিল। সেখানকার ছাত্ররা নারকেলের ছােবড়ার তৈরি মাদুরের উপর বসেছিল এবং একটা কাঠের তক্তার উপর লিখছিল। এই পরিবেশের চতুর্দিকে একটা নীরবতা ছেয়েছিল। আমার কানে কুকুরের চিৎকার ছাড়া আর কোন আওয়াজই এসে পৌঁছায়নি।
সেখানে কিছু ভালাে পােশাক পরিচ্ছদ পরা ব্যক্তির সাথে দেখা হয়েছিল, তারা জানিয়েছিল যে, তারা শহরের বাসিন্দা। তারা নিজেদের আত্মীয়দের সাথে দেখা করার জন্য গ্রামে আসেন। তাদের মুখ থেকেই জানতে পারি এই গ্রামে কোন দোকান নেই এবং ওখানে কোন চিকিৎসা ব্যবস্থাও নেই। আমি বড় হয়ে এই গ্রামের উন্নতির জন্য কিছু কাজ করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !