Bengali Essay on "Examination Hall", "পরীক্ষার ঘরের বর্ণনা বাংলা রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

Admin
0
Essay on Examination Hall in Bengali Language: In this article, we are providing পরীক্ষার ঘরের বর্ণনা বাংলা রচনা for students. Bengali Essay on Examination Hall.

Bengali Essay on "Examination Hall", "পরীক্ষার ঘরের বর্ণনা বাংলা রচনা" for Class 5, 6, 7, 8, 9 & 10

একজন তত্ত্বাবধায়ক বা পরীক্ষকই একটা পরীক্ষার ঘর সম্পর্কে সুন্দর বর্ণনা দিতে পারেন। একজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে পরিস্থিতি খুব সামান্য সময়ের জন্যই দেখতে পায়। যদি কোন পরীক্ষার্থী বেশী এদিক ওদিক চায় তবে তাকে নিয়ে পরীক্ষকের মনে সন্দেহ জাগে। সেই সময়টা প্রতিটি পরীক্ষার্থীর কাছে খুবই মুল্যবান তাই তাদের ডান দিকে বা বাঁ দিকে তাকাবার সময় থাকে না।
পরীক্ষার হলে ঢুকলেই আমি খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। আমার সম্পূর্ণ শরীর কাঁপতে থাকে এবং আমি খুবই ঘেমে যাই। প্রশ্ন পত্র হাতে পাওয়ার জন্য অধীর ভাবে অপেক্ষা করি। সময় খুবই দ্রুতগতিতে অতিবাহিত হয়ে যায়। বিদ্যার্থীরা যে যার স্থানে বসে পড়ে। অনেকে ভগবানকে স্মরণ করে, আবার অনেকে পরীক্ষকের অপেক্ষায় এদিক ওদিক তাকায় এবং প্রশ্ন ও উত্তর পত্র হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে।
তত্ত্বাবধায়ক এসে পরীক্ষার নির্দেশ সম্পর্কে জানিয়ে দেন। পরীক্ষা সম্পর্কিত কোন প্রয়ােজনীয় কাগজপত্র আছে কিনা তা দেখার জন্য আমরা নিজেদের পকেট ভালাে করে অনুসন্ধান করে নিই। আমি নিজেকে ভালাে করে অনুসন্ধান করার সময় আমার পকেটে একটা চিঠি পাই। আমার প্রিয় বন্ধু রঘু আমার সফলতার প্রার্থনা করে একটা চিঠি পাঠিয়েছিল। আমি সেটি তত্ত্বাবধায়কের কাছে জমা করে দিই।
দ্বিতীয় ঘন্টা পড়ার সাথে সাথে ছাত্রদের মধ্যে প্রশ্ন পত্র বিলি করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় প্রত্যেকেই ঘাবড়ে গেছিল। আমি প্রশ্ন পত্রটি ভালাে করে পড়ে নিয়েছিলাম এবং দেখলাম যে এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলি আমি আগের দিন রাতেই পড়েছিলাম। আমি ভগবানকে স্মরণ করে উত্তর লিখতে শুরু করি।
হঠাৎ করে বাইরের থেকে একটা চিৎকার কানে এল। একজন পরীক্ষার্থী একটা চিরকুট বাইরে ফেলে দিয়েছিল (প্রশ্ন সম্বন্ধীয়) এবং বাইরে অপেক্ষারত তার বন্ধু সেটিকে ধরার জন্য ছুটে গেছিল। পরীক্ষক ছেলেটিকে দাঁড় করিয়ে সম্পূর্ণভাবে নিরক্ষণ করছিলেন। ছেলেটি চিরকুটি বের করে গিলে ফেলেছিল, কিন্তু কাগজের টুকরােটি তার গলায় আটকে যায় এবং তার শ্বাস কষ্ট শুরু হয়। পিওন তাকে একগ্লাস জল দেয়, সেটি ঢকঢক করে গিলে নেওয়ার পর সে নিষ্কৃতি পায়। তার জুতাের মধ্যেই কিছু চিরকুট পাওয়া যায়। তত্ত্বাবধায়ক তাকে পুনরায় একটা নূতন খাতা দেন লেখার জন্য এবং তার আগের খাতাটি নিয়ে নেন।
পুনরায় বাইরে একটা গােলযােগের সৃষ্টি হয়েছিল। একজন পাহারাদার এসে উপস্থিত হয়েছিলেন। কয়েকজন পরীক্ষার্থী নিষিদ্ধ কিছু কাগজ বাইরে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল। সেই অনুসারে পাহারাদার এসে কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে নিরক্ষণ করেন এবং চারজন ছাত্রকে দোষী বলে সাবস্ত্যও করেন। এই ছাত্র গুলি কেঁদে দয়া ভিক্ষা চাইছিল।
পরীক্ষার সময় শেষ হলে আমি কিছুটা আরাম বােধ করেছিলাম। কিভাবে তিন ঘন্টা কেটে গেছিল আমি বুঝতেও পারিনি। তত্ত্বাবধায়ক আর লিখতে নিষেধ করেছিলেন। একটু আগেই আমি আমার শেষ প্রশ্নের উত্তর শেষ করেছিলাম।
পরীক্ষা সুসম্পন্ন হওয়ার জন্য আমি ভগবানকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলাম।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !